নড়াইলের অসংখ্য মাদকের নেটওয়ার্ক ভেঙ্গে দিয়েছে:পুলিশ সুপার

55

উজ্জ্বল রায়: আজ রবিবার (১৪,জানুয়ারী)-২৭৪: নড়াইল জেলা অসংখ্য মাদকের নেটওয়ার্ক ভেঙ্গে দিয়েছে জেলা পুলিশ সুপার
মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম)। অথচ কিছুদিন আগেও মাদক চোরাকারবারি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের যোগসাজশের অভিযোগ ছিল।সেই পুলিশেই মাদকের বিরুদ্ধে সেই সব মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, এক সময় জেলায় মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে আতঙ্ক কাজ করতো এই জেলার সব শ্রেণীর মানুষের মধ্যে। হাত বাড়ালেই মিলত মাদক। সব সময় স্কুল-কলেজের বারান্দাতে চলত ইয়াবা, কোকেন, হেরোইন পেথিড্রিন,ফেন্সিডিল ও গাঁজা সেবন। এ কারনে দিশেহারা হয়ে পড়ে অভিভাবকরা। এ নিয়ে কথা হয় জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম),তিনি জানান, মাদকের কারনে অন্য অপরাধের মাত্রাও বেড়ে যায় গত কয়েক বছরে। এখন সময় বদলেছে। মাদকের বিরুদ্ধে আজ সবাই সোচ্ছার। পুলিশের ইতিবাচক ভুমিকার কারনে মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম একেবারেই কমে গেছে বললেই চলে। বিশেষ করে বর্তমান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম)্#৩৯; তিনি এ জেলায় যোগদানের পর পরিস্থিতি একেবারেই পাল্টে যায়। জানা যায়, আগেও দেশের বৃহত্তম মাদকদ্রব্য পাচার রুট হিসেবে পরিচিত ছিল এই নড়াইল জেলা। কিন্তু চিত্র এখন পুরোটাই ভিন্ন।

মাদক ব্যবসায়ীদের অনেকেই এখন এলাকা ছাড়া। তাদের মধ্যে কেউ মন দিয়েছে কৃষিতে কেউ বা ব্যবসায়। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অব্যাহত অভিযানেই স্বস্তি ফিরেছে জনমনে। এক সময়ের মাদকের আখড়া। এজন্য স্থানীয় অভিভাবক মহল পুরো কৃতিত্ব দিলেন বর্তমান নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম)। মাদক নির্মূলে বিশেষ অবদান রাখায়। জেলার মাদক নিয়ন্ত্রনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে- ২৮-২-১৮ সালে ১৮ নড়াইল পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেন মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম)।

এরপর থেকে একের পর এক অভিযান ও জেলায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের তৎপরতায় প্রতিনিয়ত মাদকসহ ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে পুলিশ। এক পর্যায়ে পুলিশি তৎপরতায় অসংখ্য মাদকের নেটওয়ার্ক ভেঙ্গে দিয়েছে: মাদক ছেড়ে দিয়ে নতুন করে জীবনযাপনের শগথ নেন। শুধু অভিযানেই সীমাবদ্ধ নেই এ জেলার পুলিশ। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদসহ সামাজিক বিভিন্ন অপরাধ
নির্মূলে প্রতিঠি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পাড়া-মহল্লায় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে সভা সেমিনারও করেছেন নড়াইল পুলিশ সুপার।মাদক সেবন থেকে ফিরে আসা এক মাদক ব্যবসায়ীরা ও সেবনকারী রিপন বলেন, প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই বর্তমান জেলা পুলিশ সুপার মহোদ্বয়কে

জেলায় মাদকের প্রবনতা বন্ধ করার জন্য। তিনি এ জেলায় যোগদানের পর থেকেই মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক ব্যবসা ছেড়ে একে একে এ জেলা থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। অনেকে আত্মসমর্পন কওে ভালর পথেও যাওয়ার শপথ নিয়েছেন।তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের এ মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম)। জন্যই তিনি
মাদক সেবক থেকে ফিরিয়ে আসতে সমর্থ হয়েছেন। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের এই তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়েছেন। মাদক বিরোধী অভিযান সম্পর্কে কথা হয় জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম), আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়কে জানান,মাদক বিরোধী সচেতেনতা বাড়াতে আমরা দুইভাবে কাজ করছি। প্রথমত,পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সভা সেমিনার, লিফলেট বিতরন, স্থানীয় ক্যাবল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারনা চালানো হয়। পাশাপাশি তাদের ধরে আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেয়া। আইনী ব্যবস্থার মাধ্যমেও সচেতেনতা বাড়ানো যায়। এটি অবশ্য আমরা খুব শক্ত হাতে করছি। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ সব সময় বিরোধীতা করে আসছে। তিনি আরও বলেন, একার পক্ষে কোন কিছুই করা সম্ভব হয় না। এই জেলায় আমি যোগদানের পরেই প্রতিটি পুলিশের প্রতিটি সদস্যের কাছে বার্তা পৌছে দেয়া হয়েছে।
কনষ্টবল থেকে শুরু করে একেবারে উর্দ্ধতন অফিসাররাও এ ব্যাপারে একাট্ট এখন। মাদক নির্মূলে এখন জেলার আপামর সকল জনগনের সহযোগীতা পাচ্ছি। কখনো উৎসাহ দিয়ে আবার কখনো কড়া অনুশাসনের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে বলা হয়েছে। তারাও সেভাবেই অভিযান চালিয়ে বর্তমানে গোটা নড়াইল জেলায় মাদকের প্রবনতা প্রায় জিরো টলারেঞ্জে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here