1. bpdemon@gmail.com : Daily Kaljoyi : Daily Kaljoyi
  2. ratulmizan085@gmail.com : Daily Kaljoyi : Daily Kaljoyi
সরাইলে হাতুড়ীর নেই টং-টাং শব্দ!কামারশালায় নেই কোন ব্যস্ততা!!
বাংলাদেশ । শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১ ।। ১৬ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি
ব্রেকিং নিউজ
নেত্রকোণা সদরে আমতলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ৩কিলোমিটার রাস্তা স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করলো এলাকাবাসী ৩৪দিন কিশোরীকে আটকে রেখে গণধর্ষণ,ভারতে পাচারের সময় কৌশলে পলায়ন জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সেতু দেবে যাওয়ায় দূভোর্গে ৮গ্রামের মানুষ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে আওয়ামীলীগ নিরলসভাবে কাজ করছে-এমপি হাসেম খান নীলফামারীর সৈয়দপুরে চালকের মাথায় আঘাত করে ইজিবাইক ছিনতাই মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দীর্ঘ ১০বছর পর পৌরনির্বাচনে ২হেভিওয়েট প্রার্থীর লড়াই বগুড়ার নন্দীগ্রামে পুলিশের অভিযানে পৃথক ২মামলায় আটক-৬ পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ কুষ্টিয়া লালন শাহ মাজার মাঠ সংলগ্ন কালী নদী থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

সরাইলে হাতুড়ীর নেই টং-টাং শব্দ!কামারশালায় নেই কোন ব্যস্ততা!!

মো. তাসলিম উদ্দিন
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১
  • ১৫৫ বার পড়েছে

সারাবছর কামারশালায় বা পট্রিতে হাতুড়ীর টং-টাং শব্দ শোনা না গেলেও ঈদুল আযহা( কুরবানী) সময় কামারশালায় দা চাকু শান কাজে ব্যস্ততার মধ্যে কাটাতে হয় কামার সম্প্রদায়।বতর্মান করোনা ভাইরাসের প্রভাব পরেছে কামার পট্টিতেও। বিগত বছরগুলোতে ঈদ উল আযহাতে কামারদের ব্যস্ততা বাড়লেও করোনা আর লকডাউনের কারণে আসন্ন ঈদে সরাইল উপজেলা কামার পট্টিতে নেই ব্যস্ততা।

করোনার আগের চেয়ে বর্তমানে তাদের আয় কমেছে কয়েকগুন। এমন কথা জানালেন পল্টন কর্মকার।আজ সরেজমিনে গেলে জানাযায় তাদের সাথে আলাপ কালে তারা বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাব পরেছে কামার পট্টিতেও। বিগত বছরগুলোতে ঈদ উল আযহাতে কামারদের ব্যস্ততা বাড়লেও করোনা আর লকডাউনের কারণে আসন্ন ঈদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে কামার পট্টিতে নেই ব্যস্ততা। করোনার আগের চেয়ে বর্তমানে তাদের আয় কমেছে কয়েকগুন।

এনজিও আর ব্যাংকের লোনে জড়িত অনেকে। বিক্রি কম থাকায় লোনের কিস্তি দিতেও হিমশিম খাচ্ছেন কর্মকাররা। যা আয় হয় তা দিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে চলতেই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। কোন কোন পরিবারের সদস্য পাঁচ থেকে ছয় জন। যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে তাদের সংসার চলেনা। কোন ভাবে সময়ের কারণে চলতে হয়।

সরাইল উপজেলার কর্মকার পল্টন জানান, এখানে আমরা তিন ভাই কাজ করি। তিন ভাইয়ের পরিবারের প্রায় ২০-২৫ জনের খানেওয়ালা আছে। এখন যে কাজ করি লকডাউনে আর করোনার মাঝে মানুষ আসে না। আগের মতো কাজ নেই। কর্মকার পল্টন বলেন,করোনার আগে যেখানে ঈদ মৌসুমে তার আয় হতো ৫থেকে ৬হাজার টাকা, বর্তমানে সেখানে তার আয় হচ্ছে মাত্র ১ থেকে ২ হাজার টাকা। এখন যা আয় হয় তা তার দোকান ভাড়া আর সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। সে তুলনায় আয় নেই। যা আয় হয় তা নিয়ে টানাফোঁড়নে চলে সংসার।

একই হাল সুশীল কর্মকারেরও।এ নিয়ে চরম হতাশ রয়েছেন তারা তিন ভাই। কোন সহযোগিতার কথা জানতে চাইলে পল্টন কর্মকার বলেন, নাম নিয়েছে এখনো কিছু পাইনি,তবে শুনেছি হয়তো ১০ বা ২০ কেজি চাউল দিতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Archive Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
প্রকাশক কর্তৃক জেম প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন্স, ৩৭৪/৩ ঝাউতলা থেকে প্রকাশিত এবং মুদ্রিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Hi-Tech IT BD