আবার এক লাফে পেঁয়াজের দাম দুইশ পাড়

59

কালজয়ী ডেস্ক: আবারো এক লাফে পেয়াজের দাম ২০০ টাকায়। যা কয়েকদিন আগেও ছিল ১২০ থেকে ১৩০টাকায়। দেশীয় পেয়াজের পাশাপাশি বেড়েছে চীনা ও তুরস্কেও পেঁয়াজও। প্রতি কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০টাকায়। প্রতি কেজি চীনা ও তুরস্কের পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়।

সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) হিসাবে, গত বছরের এ সময়ের তুলনায় দেশি পেঁয়াজের দাম ৫৩৩ শতাংশ ও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম ২৪৫ শতাংশ বেশি।

বিদায়ী বছরের শেষ আর নতুন বছরের শুরতে ভোজ্যতেল ও চিনির দাম বাড়ার মিছিল চলছিল, তাতে পেঁয়াজের সঙ্গে শামিল হল রসুন, আদা ও সবজি। সবাই মিলে চাপ বাড়িয়েছে সীমিত আয়ের মানুষের পরিবারে।

এ নিয়ে দুইবার ডাবল সেঞ্চুরি হাকাল পেঁয়াজের দাম। গত বছরের নভেম্বরে পেয়াজে দাম হয়েছিল প্রায় ৩০০ ছুই ছুই। তবে এখনো এবারের দাম কিছুটা কম।

যদিও এই দুবারের আগে পেঁয়াজের দাম কখনোই ১৫০টাকা ছাড়ায়নি। ২০১৭ সালে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ১৪০ টাকায় উঠেছিল। তবে সেটা সল্প দিনের জন্য। এবার গত বছর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে বাড়তে শুরু করে পেয়াজের দাম। তার প্রধান কারন ছিল ভারত রপ্তানিমূল্য বাড়িয়ে দেওয়ার (টনপ্রতি ৮৫০ ডলার) পর থেকে দাম বাড়তে শুরু করে। তবে তখন সীমিত দাম দাম বেড়েছিল। কিন্তু যখন ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ঠিক তখনই বাজার অস্থির হয়ে যায়। প্রতিকেজি পেঁয়াজ তখন ২৫০-২৮০ টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়। সংকট সামলাতে সরকার উড়োজাহাজ করে উড়িয়ে আনতে হয় পেঁয়াজ।