উল্লাপাড়ায় বোরো মৌসুমে বীজতলা কোল্ড ইঞ্জুরী হওয়াতে দিশেহারা কৃষক

79

উল্লাপাড়া প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বোরো মৌসুমের জন্য তৈরী করা বীজতলাগুলো, মধ্য পৌষের তীব্র শীতে দেখা দিয়েছে কোল্ড ইঞ্জুরী, এতে দিশেহারা হয়ে পরেছে উপজেলার প্রান্তিক কৃষকেরা।

এ অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কৃষকেরা নিজ উদ্যোগে বীজতলাগুলো পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখে ছাই, জিপসার, পটাশ ছিটিয়ে কোন রকমে চারাগুলো বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।প্রান্তিক কৃষক সাবেক ইউপি সদস্য ও বেতকান্দি উত্তর পাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ১২ বিঘা,সাবেক ইউপি সদস্য শাহ আলমের ১০বিঘা,বন্যাকান্দি গ্রামের পেনুকাজির ৩ বিঘা,আলতাফ হোসেনের ১২ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপনের জন্য বীজতলা(চারা)রোপন করেছেন।কিন্তু মধ্য পৌষের শীতের প্রকোপে বীজতলাগুলো সাদা ও হলুদ রং ধারন করে, পরে কালো রং ধারন করে বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রতিরোধক হিসাবে পলিথিন দ্বারা ঢেকে দেওয়াসহ অনেক কিছু ব্যবহার করে আশানুরূপ ফল পাচ্ছি না । বর্তমানে সকাল থেকে রোদের বিচরনে কিছু সমস্যা কেটে গেলেও আশানুরূপ বীজতলা না পাবার দুর্শ্চিন্তায় আছেন তারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুর্বণা ইয়াসমিন(সুমি) জানান পৌষের মাঝে তীব্র শীতের প্রকোপে প্রান্তিক কৃষকদের বীজতলাগুলোর কিছু সমস্যা হয়েছিলো।আমরা কৃষকদের সমস্যাগুলো গুরুত্বের সহিত আমলে নিয়ে তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন রকমের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

যেমন বীজতলা কোল্ড ইঞ্জুরী হলে ইটাকল নামক ঔষধ ১ লিটার পরিমান পানিতে ২ গ্রাম পরিমান ঔষধ মিশিয়ে স্প্রে করা, শীতের সময় পলিথিন দ্বারা ঢেকে রাখার পরামর্শ দিচ্ছি। চারা হলুদ হয়ে গেলে প্রতি শতক জমিতে ৪০০গ্রাম জিপসাম ও ২৮০ গ্রাম ইউরিয়া প্রয়োগ করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

বর্তমানের রোদের বিচরন থাকায় কোল্ড ইঞ্জুরীর ঝুকি অনেকাংশই কমে গেছে। বোরো বীজতলার লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬০০ হেক্টর জমিতে।