বুড়িচংয়ে শহীদ বুদ্ধি জীবি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

47
বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি।। শনিবার দুপুরে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধি জীবি দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরুল হাসান এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায়  বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)  তাহমিদা আক্তার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা রত্না দাস, বুড়িচং থানার ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাস, প্রকৌশলী অনুম কুমার বড়ুয়া, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শহীদুল করিম,আনন্দ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একে এম আমিনুল ইসলাম,  উপজেলা শিক্ষা অফিসার রৌশন আরা বেগম, সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ শহীদুর রহমান খান, মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ সফিকুল ইসলাম,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শামীম হোসেন,  পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রোকসানা খানম মুন্নী, যুব উনয়ন অফিসার মোহাম্মদ গোলাম আজম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রাসেল সারওয়ার, নির্বাচন কর্মকর্তা আলিফ লায়লা, সমবায় কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মানসি পাল প্রমুখ। আলোচনা সভার সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরুল হাসান তার বক্তব্যে তিনি বলেন ১৪ ডিসেম্বর পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশনা ও মদতে একশ্রেণির দালালরা এই হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত করে। পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চিহ্ন করার এই নীলনকশা প্রণয়ন করে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। পাকবাহিনীর অস্ত্র সহায়তা নিয়ে তাদেরই ছত্রছায়ায় আধাসামরিক বাহিনী আলবদরের ক্যাডাররা এই বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত করে। বুদ্ধিজীবীদের প্রকৃত সংখ্যা আজ পর্যন্ত গণনা করা হয়নি। ১৯৭২ সালে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ’ শীর্ষক গ্রন্থ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এদের মধ্যে ৯৯১ জন ছিলেন শিক্ষাবিদ, ৪৯ জন চিকিত্সক, ৪২ জন আইনজীবী এবং ১৬ জন সাহিত্যিক, শিল্পী ও প্রকৌশলী। বুদ্ধিজীবী নিধনের এ তালিকায় ঢাকা বিভাগে ২০২ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয় । চট্টগ্রাম বিভাগে ২২৪ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। খুলনা বিভাগে ২৮০ জন শিক্ষক ও ছয়জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। রাজশাহী বিভাগে ২৬২ জন শিক্ষক ও ১৫ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। তবে এ তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নাম ছিল না।