বরুড়ায় মৎস্য ফিসারীর কারণে বহু সড়ক হুমকিতে

804

বরুড়া (কুমিল্লা)প্রতিনিধিঃ-বরুড়ায় সারা উপজেলা ব্যাপী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর কতৃক কোটি কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মানকৃত সড়ক গুলো শুধুমাত্র মৎস্য ফিসারীর কারণে চরম হুমকির আশংকায় আছে। গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ৯ম সংসদে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বরুড়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের অধিনে রাস্তা ঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হয়। বরুড়া – আড্ডা সড়ক, বরুড়া- সিঙ্গুর , বরুড়া – ভাউকসার, ধনিম্বর – বিজড়া, বরুড়া – বাতাইছড়ি হয়ে সড়ক সহ প্রায় সব সড়কেই রাস্তার পাশে মৎস্য ফিসারী গুলোর কারণে রাস্তাগুলো নিয়মিত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে । সরেজমিনে দেখা গেছে প্রায় প্রত্যেকটি ফিসারীর মালিকগন তাদের ফিসারীর তিন পাশ খুব সুন্দর অত্যান্ত মজবুদ করে বাঁধ দেয় কিন্তু রাস্তার পাশের অংশ কখোনই বাঁধ দেয়না, আর এই সুবাদে মৎস্য ফিসারীর মাছ রাস্তার পাশের নিচের অংশ খেয়ে গর্তের সৃষ্টি করার ফলে রাস্তা আস্তে আস্তে ভেঙ্গে ফিসারীর গর্ভে চলে যায়।এ ব্যপারে স্থানীয় জনসাধারণের সাথে আলোচনা করলে তারা বলেন স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি গন এ ব্যাপারে নজরদারী রাখেন না, প্রত্যেক জনপ্রতিনিধি তাদের স্বস্ব এলাকায় এই ভাবে গড়ে উঠা মৎস্য ফিসারী গুলোকে যদি নির্দিষ্ট কোন বিধি মালা তৈরী করে দেয় এবং নিয়মিত দেখাশুনা করে তাহলে এই সমস্যার সমাদান অনেকাংশে সমাদান করা সম্ভব। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কেএম মহিউদ্দিন বলেন, মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে আমরা চাষীদের সচেতনতামূলক বৈঠক করেছি প্রান্তিক চাষীদের সাথে এবং আগামী দিনেও এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ইঞ্জিনিয়ার ফুয়াদ আহছান বলেন, আমরা প্রায় প্রতিটি উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটিতে উপস্থাপন করতেছি। উপজেলার সাধারন মানুষ যতদিন সচেতন না হয় ততদিন এই সমস্যা থেকে উত্তরণের সুযোগ নেই, তবে যদি তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি গণ এলাকার মৎস্য চাষি কৃষকদের সাথে নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি বুঝাতে পরে তাহলে এই সমস্যার সমাদান করা সম্ভব।