নওগাঁরয় ব্রীজের সংযোগ সড়ক না থাকায় জনদূর্ভোগ চরমে!

39

রুহুল আমিন: নওগাঁর রানীনগরে মুড়িঘাটি খালের উপর ব্রীজ থাকলেও নেই সংযোগ সড়ক। নির্মাণ কাজ এক বছর আগে সমাপ্ত হলেও ব্রীজে সড়কের সংযোগ না করায় স্থানীয়দের কোনো উপকারে আসছেনা। ফলে এলাকাবাসীকে চলাচললে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। জানা গেছে, রানীনগর উপজেলার খট্টেশ্বর ও গোনা ইউনিয়নের বসবাসরত জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর থেকে মুড়িঘাটি খালের উপর ব্রীজটি তৈরী করা হয়। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষনাবেক্ষন কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৩৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য জনস্বার্থে ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রায় এক বছর আগে ব্রীজটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। কিন্তু ব্রীজটির দক্ষিণ পার্শ্বে সংযোগ সড়কের কাজ সম্পন্ন না করে সমস্ত বিল উত্তোলন করে নিয়েছেন। ব্রীজ থাকলেও স্থানীয়রা চলাচল করতে পারছেন না। এতে স্থানীয়দের ব্রীজটি কোন আসছে না স্থানীয়রা বলছেন, আগে মুড়িঘাটি খাল তারা নৌকায় করে পারাপার হতে হতো। একন ব্রীজ হয়েছে কিন্তু কষ্ট রয়ে গেছে। সেখান থেকে পরিত্রান পেতে আর কতদিন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। তাদের দাবী যত দ্রুত সম্ভব ব্রীজটির দক্ষিণ পার্শ্বের সংযোগ সড়কের মাটির কাজ সম্পন্ন করে জনগণের চলাচলের জন্য উন্মক্ত করে দেওয়া হোক।

উপজেলার খট্টেশ্বর গ্রামের কৃষক হেলাল সরদার বলেন, আমার বেশি ভাগ জমি খালের ওপারে গোনা ইউনিয়নে। কৃষি কাজের জন্য এই খালে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হতো। দীর্ঘ বছর আমাদের কষ্ট করতে হয়। নৌকায় চড়ে পারাপারের সময় নৌকা ডুবে যাওয়ারও ঘটনা ঘটে। খালের উপর এখন ব্রীজ আছে। কিন্তু গত এক বছর থেকে সংযোগ সড়ক না থাকায় কোন কাজে আসছেনা। রানীনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ণ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, ওই ব্রীজটি নির্মাণের পর খাল খনন করার কারণে সংযোগ সড়কের মাটিগুলো সরে নিচু হয়ে গেছে। নীচু হওয়ার কারণে স্থানীয় জনগণদের চলাচল করতে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ব্রীজের দুই ধারে মাটির কাজ সম্পন্ন করে স্থানীয়দের চলাচলের জন্য উন্মক্ত করে দেওয়া হবে।