শীতের আগমন

57

হালিম সৈকত: গতকাল রাতে হঠাৎ চোখে পড়লো একদল লোক কুমিল্লা সিটির গোবিন্দপুকুর পাড়ে আগুন পোহাচ্ছে। তাদের এই আগুন পোহানো দেখে মনে হলো শীত কি এসে গেছে? তাই তো মনে হচ্ছে। মোবাইল বের করে তোলে ফেললাম ছবি।

আমাদের দেশ ষড়ঋতুর দেশ। প্রতি দুই মাস পরপর ঋতুর পরিবর্তন হয়। হেমন্তের পরেই আসে শীতের আগমন। শিশির ভেজা ভোরের মিষ্টি রোদ খুব মিষ্টি। মাদুর পেতে বসে আবালবৃদ্ধবনিতা সবাই সকাল বেলার মিষ্টি রোদ পোহায়। কুয়াশার ঘন চাদরে ঢাকা থাকে মাঠঘাট। চোখের দৃষ্টি বেশি দূর দেখা যায় না। পালা বদলের হাওয়া লাগে গাছপালাও। তখন শুরু হয় শুকনো পাতা ঝরার পালা। শিশির ভেজা ঘাসে সকালে সুর্যের আলো চিকচিক করে। শহরের দালান কোঠায় শীতের উষ্ণতা একটু দেরিতে শুরু হলেও গ্রামে শুরু হয় আগেই। এই সময় পিঠা খাওয়ার ধূম পড়ে যায়। খেজুরের রস আর মিষ্টি গুড় দিয়ে ভাপা পিঠা খেতে ভারি ভালো লাগে। ঘরে ঘরে শুরু হয় পিঠা খাওয়ার উৎসব।

বেশির ভাগ মানুষই শীতকে পছন্দ করেন। শীতের আগমনী বার্তায় ভ্রমনপিপাসু মানুষ পর্যটনসমৃদ্ধ এলাকাগুলো ঘুরতে বেড়িয়ে পড়েন। স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় প্রতিদিনই চোখে পড়ে শিক্ষাসফরের গাড়ী। এ সময় রোগ ব্যাধির প্রাদূর্ভাবও বেড়ে যায়্ । বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুদের। দিনের ও রাতের তাপমাত্রা কমে যায়। এ সময় শীতের কাপড়ের বেঁচাকেনা বেড়ে যায়। বিপনী বিতানগুলোতে ভিড় জমে। বেড়ে যায় চাদর, সুয়েটার আর ব্লেজারের বিক্রি।