সিলেটে বেকার হচ্ছে প্রায় ১৩ হাজার সি এন জি চালক!

250
কে এম রায়হান: হালনাগাদ সড়ক পরিবহন আইন কার্য্যকর করা হলে সিলেট জেলায় কমপক্ষে প্রায় ১৩ হাজার সিএনজি চালক বেকার হয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিতে পারে। সড়কে পরিবহন চালনা ছেড়ে দিয়ে পথে বসতে হবে তাদেরকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে সিলেট জেলাতে চলমান রয়েছে প্রায় ১৯ হাজার সিএনজি চালিত অটোরিক্সা এবং প্রায় ৭ হাজার ইজি বাইক। উল্লেখিত সংখ্যক পরিবহন চালকদের সিংহভাগ চালক প্রাইমারি লেভেলে উত্তির্ণ নয়। রিক্সা চালনা রপ্তকরে কিংবা নিজ উদ্যোগে টাকা খরছ করে গাড়ী চালনা শিখে অটো রিক্সা ও ইজি বাইক চালকের পেশা বেছে নিয়েছে। প্রান্তিক জনপথে গাড়ী চালনা করে সংসার নিয়ে বেঁচে থাকার পথ খুজে নিয়েছে তারা। কিন্ত নতুন সড়ক পরিবহন আইন এখন (চালক) জন্য পতিবন্ধক হয়ে উঠেছে।নতুন আইনে পরিবহন শ্রমিকদের লাইসেন্স প্রাপ্তির আবেদনে শর্ত দেয়া হয়েছে। লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে শর্ত হচ্ছে  ৮ম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ন হতে হবে। আর এ দুই শর্তের উপর হার মেনেছে প্রায় ১৩ হাজার কর্মরত পরিবহন শ্রমিক। সিএনজি চালকরা বলেন – লিখিত পরিক্ষায় এসএসসি এমনকি এইচ এস সি পাশরা ও উত্তীর্ণ হতে পারছেন না। এমতাবস্তায় আমরা উত্তীর্ণ হবো  কিভাবে? অনুসন্ধানে জানাগেছে – জেলার সবকটি উপজেলায় সি.এন.জি ও ইজিবাইক চালকদের বড় অংশ নিরক্ষর কিংবা প্রাইমারি লেভেল পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। এ ব্যপারে সাধারন মানুষের সাথে বললে তারা বলেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে যদি এসব চালকদের এই পেশা বন্দ করে দেয়া হয় তাহলে সমাজে চুরি ডাকাতি হানা-হানি অপকর্ম চুরি ডাকাতির মত ঘটনাও ঘটবে প্রতিদিন। এসবের দায় নিবে কে এ প্রশ্ন রেখে তারা আরো বলেন এদেরকে সরকার বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে তাদের পেশায় টিকিয়ে থাকার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। সাথে সাথে যে সব গাড়ি নাম্বার বিহীন এস সব গাড়ির নাম্বারের ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। যাতে বেকারত্ব দুরীকরনের মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকারের ডিজিটাল এবং উন্নত দেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।