অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ‘এনএইচএফ ইয়ুথ ফর হেলদি বাংলাদেশ’

29

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বজুড়ে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অসংক্রামক রোগ মহামারি আকার ধারণ করছে। বাংলাদেশেই প্রতিবছর যতো মানুষ মারা যায় তার ৬৭ ভাগই অসংক্রামক রোগে মারা যাচ্ছে। তাই এইসব রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে তরূণ সমাজকে সম্পৃক্ত করতে একটি ইয়ুথ ফোরাম গঠন করেছে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ।

গতকাল শনিবার (৯ নভেম্বর) ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে ‘এনএইচএফ ইয়ুথ ফর হেলদি বাংলাদেশ’ নামে তরূণদের নিয়ে একটি ফোরাম গঠন করা হয়। এই ফোরাম অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করবে।

ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) বিষয়ক অতিরিক্ত সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন। তরূণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব দিতে হবে তরূণদেরই। তাই এখন থেকেই তাদেরকে দায়িত্ববান হতে হবে। যেকোনো কাজ ‘আমরা করবো’ বলে বসে থাকলে চলবে না; বরং, ‘আমি করবো’ বলে তরূণদের দায়িত্ব নিতে হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জনস্বাস্থ্য ও বিশ্বস্বাস্থ্য) রীনা পারভীন তরূণদের ক্যারিয়ার গঠনের পাশাপাশি নিজেদের সুস্বাস্থ্যের প্রতিও নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, আজকের তরূণরা কর্মজীবনে সফল হলেও ৩৫-৪০ বছর বয়সে গিয়ে যদি হৃদরোগ, ডায়াবেটিকসসহ নানা অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়, তাহলে তার সেই সফলতা পরিপূর্ণতা লাভ করবে না। সেজন্য তরূণদেরকে প্রক্রিয়াজাত খাবার ও ফাস্টফুড ছেড়ে সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, সিগারেট ও ই-সিগারেটসহ সব ধরনের তামাকজাত দ্রব্য ও মাদক গ্রহণ থেকে দূরে থাকতে হবে, শারীরিক চর্চা করতে হবে।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. রায়হান-ই-জান্নাত, ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রামস অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস বাংলাদেশের গ্র্যান্ট ম্যানেজার আব্দুস সালাম, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যাপক খন্দকার আব্দুল আউয়াল (রিজভী), রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সোহেল রেজা চৌধুরী, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক গোলাম মহিউদ্দিন ফারূক প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here