বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িকতা নয়; সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী-তাজুল ইসলাম

57

চন্দন সাহা: অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে আগামীর বাংলাদেশ হবে এশিয়ার শ্রেষ্ঠতম দেশ। বর্তমানে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, জঙ্গীবাদের সঙ্গে কোনো ধরণের আপোষ নেই। অপরাধী যে দলেরই হোক তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িকতা নয়; সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। জাতি,ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তবেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমী ও প্রতীমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এই কথাগুলো বলেন।

ওইদিন বিকেল সাড়ে ৫টায় লাকসাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে লাকসাম উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবের শেষ দিন বিজয়া দশমী ও প্রতীমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. শচীন্দ্র চন্দ্র দাস’র সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মীর আবুল ফজল, জেলা পুলিশ সুপার মো. নুরুল ইসলাম পিপিএম (বার), বিপিএম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট হৃদরোগ চিকিৎসক রাজিব কুমার সাহা।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে লাকসাম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট মো. ইউনুস ভূঁইয়া, মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন, লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ কে এম সাইফুল আলম, পৌরসভা মেয়র অধ্যাপক মো. আবুল খায়ের, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহব্বত আলী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পড়শী সাহা, মনোহরগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা কুসুম, লাকসাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. তাবারক উল্লাহ কায়েস, সাধারণ সমপাদক মো. রফিকুল ইসলাম হিরা প্রমূখ।

অনুষ্ঠান শেষে সন্ধা সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম জগন্নাথ দীঘিতে প্রতীমা বিসর্জন দেওয়া হয়। এর আগে লাকসাম পৌর এলাকার ১৮টি পূজামন্ডপ থেকে প্রতীমা এনে লাকসাম জগন্নাথ বাড়ির মাঠে জড়ো করা হয়। এ সময় হিন্দু ধর্মালম্বী নারি-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ ভক্তবৃন্দ দেবী দুর্গার মূখে পান-সিঁদুর দিয়ে দেবীকে শেষ বিদায় জানান।

লাকসাম জগন্নাথ বাড়ি পূজামন্ডপের পুরোহিত অমর ভট্টাচার্য্য বলেন, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা এবার ঘোটকে চড়ে (ঘোড়ায়) কৈলাশ (স্বর্গ) থেকে মর্ত্যলোকে (পৃথিবী) আসেন এবং ঘোটকে (ঘোড়ায়) চড়ে। কৈলাশে বিদায় যান। এ ছাড়া, ওইদিন সকাল ৭টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে পূজা সমাপন এবং সকাল ৮টায় দর্পণ বিসর্জন দেওয়া হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here