বুয়েট ছাত্র আবরারকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল

185

কালজয়ী রিপোর্ট: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শেরে বাংলা হলে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ (২১) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে, এমন তথ্য পেয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে এ প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়।

সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে পৌনে ১২টার দিকে শেরে বাংলা হলের ওই কক্ষ পরিদর্শন শেষে কৃষ্ণপদ রায় বলেন, ‘আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পেয়েছি। এটি যে হত্যাকান্ড সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। তিনি আরো বলেন, ‘আবরার হত্যায় জড়িতরা প্রমাণ পরিচয়-ই বহন করুক না কেউ রেহাই পাবে না।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন সাংবাদিকদের বলেছেন, আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। তবে তিনি ছয়জনের নাম সুনির্দিষ্ট করে বলেননি। তাদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

ছাত্রলীগের আটকৃত নেতারা হলেন, বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার ও ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন। আটক ছাত্রলীগের চারজনের মধ্যে রাসেল ও ফুয়াদকে আজ সকালে ও অনিক ও জিয়নকে দুপুরে আটক করা হয়। চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইসব তথ্য দিয়েছেন।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফুয়াদ, রাসেল, অনিক, ও জিয়নকে আটক করে থানা নিয়ে আসা হয়।

আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি। তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়।