বগুড়ায় পেঁয়াজের নতুন চারটি জাত উদ্ভাবন

31

জিএম মিজান: সংকট মোকাবেলায় পেঁয়াজের অন্তত ৪টি নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্র। গবেষণা কেন্দ্রেটির কৃষিবিদরা দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নতুন জাতগুলো উদ্ভাবন করেন। এর মধ্যে সব শেষ বারি-৬ নামে উচ্চফলনশীল পেঁয়াজের নতুন জাত উদ্ভাবনের পর গেলো বছর তা বাজারজাত করা হয়েছে। যথাযথ বিপণনের অভাবে এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করেন গবেষকরা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে উৎপাদন প্রতি বছরই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও আমদানি নির্ভরশীলতা কমছে না। বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ হামিদ রেজা বলেন, সঠিক বিপণন ব্যবস্থা না থাকায় উচ্চফলনশীল এসব নতুন জাতের পেঁয়াজ ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছালেও আমদানি নির্ভরতা কমছে না বলে মনে করেন গবেষকরা। মোট চাহিদার মাত্র ২০ ভাগ বীজ চাওয়া হয় কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন- বিএডিসির কাছে। কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতার কারণে তাও দিতে পারে না বিএডিসির বীজ বিপণন বিভাগ। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ পরিচালক রাহেলা পারভীন বলেন, কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজের বীজ ও আবাদ বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে এবং আধুনিক সংরক্ষণাগার স্থাপন করা হলে আমদানি নির্ভরশীলতা কমে আসতে পারে। চাষ ও সংরক্ষণে একটু সতর্ক হলেই পেঁয়াজে স্বয়ংস¤পূর্ণতা আসবে আগামী মৌসুমেই। পরিকল্পনা, চাষাবাদ ও সংরক্ষণে আধুনিকতা আনতে পারলে সারাবছর স্থিতিশীল রাখা সম্ভব পেঁয়াজের বাজার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here