সাভারে খালার বাসায় বেড়াতে এসে তরুনী গণধর্ষনের শিকার

78
তৌকির আহাম্মেদ: সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানা এলাকায় খালার বাসায় বেড়াতে এসে এক তরুনী গণধর্ষনের শিকার হয়েছে।  এঘটনায় ওই তরুনী বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে আশুলিয়া থানায় ধর্ষনের অভিযোগ এনে ২জনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে।  গত বুধবার বিকেলে আশুলিয়ার জামগড়া হিয়ন গার্মেন্টস সংলগ্ন   আইজ   উদ্দিনের   বাড়ির   ভাড়াটিয়া   বিবাদী মোস্তাফিজুরের কক্ষে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।  থানা পুলিশ ও স্থানীয়র সুত্রে জানা গেছে,ওই তরুনী কয়েক দিন আগে   তার   গ্রামের   বাড়ি   থেকে   আশুলিয়া   জামগড়া   এলাকার বাসিন্দা খালা শাপলা বেগমের বাসায় বেড়াতে আসে। এসময় গত বুধবার সকালে ওই তরুনীর খালা শাপলা বেগম তাকে বাসায়রেখে   গার্মেন্টসে   চলে   যায়।  পরে   ওই   এলাকার   বাসিন্দা   মুদি দোকানদার তোহা’র সাথে পরিচয় হওয়ার এক পর্যায়ে চাকুরির বিষয় নিয়ে আলাপ  হয় ওই তরুনীর। এসময়   তোহা ওই  নারীকে চাকরি দিয়ে দিবেন বলে প্রতিশ্রতি দিয়ে তার বাসায় দেখা করতে বলেন। ওই নারী বুধবার বিকালে তোহা মোল্লার বাসায় গেলে তোহার   বন্ধু   মোস্তাফিজসহ   ওই   নারীকে   ঘরের   দরজা   আটকিয়ে ধর্ষণ   করে।   বিষয়টি   পরে   তার   খালাকে   জানালে   তার   সহায়তায় থানায় মামলা করা হয়।  ধর্ষক  তোহা   মোল্লা বাঘেরহাট   জেলার   ফকিরহাট   থানাধীন বালিয়াডাঙ্গা এলাকার গোলাম কিবরিয়ার ছেলে। সে আশুলিয়ার জামগড়া   হিয়ন   গার্মেন্টস   সংলগ্ন   শরীফের   বাড়িতে   ভাড়া থেকে   মুদি   ব্যবসা   করেন।   সহযোগি   মোস্তাফিজুর   সরকার ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ কেষ্টপুর এলাকার মৃত খাদিমুল ইসলামের ছেলে। সে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় আইজ উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থেকে মুদি ব্যবসা পরিচালনা করেন।  এ ব্যপারে আশুলিয়া থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত জাভেদ মাসুদ জানান,ঘটনাস্থলে   গিয়ে   পুলিশ   তদন্ত   করে   বিষয়টির   সত্যতা   পেয়ে ধর্ষিতা ওই তরুণীকে উদ্ধার করে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিসে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ধর্ষক ও তার সহযোগিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।