কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি? শেষ হাসি কে হাসবেন?

147

হালিম সৈকত: তিতাসবাসীর অপেক্ষার প্রহর যেন শেষ হচ্ছে না। তর সইছে না তাদের ! তারা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে দেখতে চাচ্ছেন নৌকার মাঝি হিসেবে। এখন দেখা যাক বাংলাদেশ আ’লীগের ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল জননেত্রী শেখ হাসিনা কাকে মনোনয়ন দেন। ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে তফসিল ঘোষণার পর থেকেই। আর মাত্র কয়েক মহূর্ত। জানা যাবে কার হাতে উঠবে নৌকার হাল? তবে বর্তমানে যে দুজন প্রার্থী আলোচনার তুঙ্গে রয়েছেন তাদের মধ্যে একজন হলেন, সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের সদস্য মো. পারভেজ হোসেন সরকার। তিনি শত ভাগ আশাবাদী নৌকার মনোনয়ন তিনেই পাবেন। স্থগিত হওয়া নির্বাচনে তিনি আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন। অপর দিকে কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক ও কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সারওয়ার হোসেন বাবুও আশাবাদী তিনি নৌকা পাবেন। তিনি স্থগিত হওয়া নির্বাচনে আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুল ইসলাম সোহেল সিকদারকে সমর্থন দিয়েছিলেন। মামলাজনিত কারণে সোহেল সিকদার এখন কারাগারে রয়েছেন। বলা যায় উভয়ই কোমড় বেঁধে নেমেছেন নৌকা প্রতীক পাবার প্রত্যাশায়। তবে যারা লবিং করছেন তাদের মুখ থেকে শোনা যাচ্ছে উভয়েরই চান্স ফিফটি ফিফটি। তবে তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন পারভেজ ভাই নৌকা পেয়ে গেছেন আবার কেউ লিখছেন সারওয়ার ভাই নিশ্চিত নৌকা পেয়ে গেছেন। কেউ কেউ লিখছেন আলহামদুলিল্লাহ। এক গ্রুপ লিখার পর অপর গ্রুপ আবার লিখছেন আলহামদুলিল্লাহ। মনে হয় যেন ফেইসবুক ওয়ালারা নমিনেশন দিচ্ছেন। মনে হচ্ছে তিতাসের রাজনীতি এখন ফেইসবুক কেন্দ্রিক। আরেক গ্রুপ রয়েছে যারা ফেইক আইডির মাধ্যমে নানা অশালীন মন্তব্য ও পোস্ট দিয়ে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর চরিত্র হননের চেষ্টা করছেন। তাদের মধ্যে ন্যূনতম সৌজন্যবোধটুকু নেই। তাদের হাত থেকে বাদ যাচ্ছেন না সাংবাদিকরাও। তিতাসবাসী এখন তীর্থের কাকের মত প্রতীক্ষার প্রহর গুণছেন নৌকার মাঝি কে হলেন? শেষ হাসি কে হাসলেন? তা দেখার জন্য