সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়রে ফেসবুক স্ট্যাটাস “টাকা ফেরত দিন, নয়তো খবর আছে”

51

শাহজাহান আলাী মনন: “সৈয়দপুরে রেলওয়ের জমির দোকান বিক্রি করে ২৫ লাখ টাকা কে নিয়েছেন টাকা ফেরত দিন। নয়তো খবর আছে?” নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র, রাজনৈতিক জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন সরকারের এমন একটি স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি তাঁর ব্যাক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে এ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাস প্রকাশের এক ঘন্টার মধ্যে দেড় শতাধিক লাইক, ৪৬টি কমেন্টস ও ৪ বার শেয়ার করা হয়েছে। যা ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দাঁড়িয়েছে লাইক প্রায় সাড়ে ৪ শ’, কমেন্টস ৮৩টি, শেয়ার হয়েছে ৮ বার। এসব কমেন্টস এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যগুলো হলো- আওয়ামীলীগ নেতা ইলিয়াছ হোসেন ‘তাই নাকি! নামটা বলতে এতো সঙ্কোচ কেন? দূর্দান্ত সাহসী লিডারের মুখে (ভয় লাগে) এটি বড়ই বেমানান। তাহলে সাধারণ মানুষের কি হবে!’

মিলটন মিলটন কমেন্ট করেছেন- ‘রেলের জমি কে বিক্রি করলো আর ২৫ লাখ টাকা কে কাকে ফেরত দিবে সৈয়দপুরের মানুষ তাদের নাম জানতে চায় সাহস থাকলে বলুন।’ এর জবাবে রিপন ইসলামের কমেন্টস- ‘একজন নির্বাচিত এমপি পাঁচ বারের সফল মেয়র এভাবে কমান্ড করাটা ঠিক না ওনার জগ্যতা সাহস দুই টায় আছে?’ প্রতিউত্তরে মিলটন মিলটন- খবরটা উনিই যেহেতু দিয়েছেন সেটা পরিস্কার করা দরকার।’ আব্দুর রশিদ শাহ কমেন্টে বলেছেন- ‘ভালো উদ্যোগ তবে শুধু এটাতে সফলতা দেখালে হবে না। নতুন ভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখান বর্তমানে সমস্যায় থাকা মানুষের পাশ্বে থেকে। শুভ কামনা রইলো।’

সাকিল সারোয়ার অলিনের কমেন্ট- ‘সৈয়দপুর এর মাথা বা অভিভাবক হিসেবে আপনাকেই আমরা চিনি জানি আংকেল। আপনি প্রতিবাদ করুন আমরা সবাই আপনার সাথে আছি। আল্লাহ আপনাকে সুস্থ রেখে আমাদের একটি সুন্দর সৈয়দপুর শহর উপহার দিক। রাজনৈতিক দল এর চেয়ে বড় হচ্ছে আমরা সকলে সৈয়দপুরবাসী। আমরা একজোট হলে আমাদের শহরের উন্নয়ন সম্ভব। আর সবাইকে একজোট আপনার প্রচেষ্টায় সম্ভব। আপনি আমাদের সকলের সিনিয়র। আমি আপনার কাছে থেকে ২০০৭ সনে ঝঝঈ বীধস ব অ+ পাওয়ার জন্য ক্রেস্ট এবং প্রাইজবন্ড পেয়েছিলাম। ধন্যবাদ আপনাকে স্যার।

মিজানুর রহমান মিলনের কমেন্ট- কার টাকা, কিসের টাকা, কেন নিয়েছে এসব টাকা, কবে এবং কখন নিয়েছে টাকা!! পরিস্কার করে বলা প্রয়োজন। তবেই মানুষ সব জানতে পারবে…উল্লেখ্য, সৈয়দপুর শহরে রেলওয়ে জমিতে বসবাসকারীদের উচ্ছেদে দ্বিতীয় দফা গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে পশ্চিম রেলের পাকশী বিভাগের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা। উচ্ছেদের দিনক্ষণ ঘোষণা করায় শহরে রেলওয়ে জমিতে বসবাসকারীদের মাঝে উচ্ছেদ আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। গঠন করা হয়েছে “অধিকার” ও “বাস্তুহারা” নামে দুটি কমিটি। বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করছে উভয় কমিটি। আমজাদ হোসেন সরকার ‘বাস্তুহারা’ কমিটির উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি অধিকার নামক সংগঠনটি আমজাদ হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে কাদের কর্মসূচীগুলো নানা প্রকার কথা বলার প্রেক্ষিতে তিনি এ ধরণের স্ট্যাটাস দিয়েছেন ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here