হাজার হাজার গ্রাহক সরাইল বিদ্যুৎ বিভাগের  কাছে জিম্মি!

118
মোঃ তাসলিম উদ্দিন: কালিকচ্ছ, শাহজাদা পুর, শাহবাজপুর, সরাইল সদর সহ উপজেলার গ্রাহকদের অভিযোগ, আকাশে মেঘ জমলেই বিদ্যুৎ চলে যায়। আর একবার ঝড় হলে বিদ্যুতের দেখা মেলে না  তিন -চার ঘন্টা। এই অবস্থায়  উপজেলার হাজার হাজার গ্রাহক সরাইল বিদ্যুৎ বিভাগের  কাছে একরকম জিম্মি হয়ে পড়েছেন। বিদ্যুতের ঘন ঘন যাওয়া- আসার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। বিদ্যুৎ যাওয়াআসা  লুকোচুরিতে স্কুল ও কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পড়া লেখাতেও বেশ ভাটা পড়েছে।এখানে কথিত আছে ঝড় তুফানের প্রয়োজন হয়না আকাশে মেঘ দেখা দিলেই সরাইলের  বিদ্যুত হাওয়া হয়ে যায়।
সরাইল উপজেলায় একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে আসে কয়েক ঘণ্টা পরে। আবার এমনও হয় সারাদিনে দুই তিনবার অল্প সময়ের জন্য বিদ্যুৎ আসে। কোনো কোনো সময় এক নাগাড়ে তিন -চার ঘন্টা পর বিদ্যুৎ এলেও তার স্থায়ীত্ব থাকে ১০-১৫ মিনিট। একবার চলে গেলে অপেক্ষার প্রহর গুণতে গুণতে কয়েকঘণ্টা পরে মেলে বিদ্যুৎ নামের সোনার হরিণ।বিদ্যুতের লুকোচুরি ও খামখেয়ালীপনার শিকার হয়ে ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা বিদ্যুতের কারণে ঠিকমত পড়ালেখা করতে পারছে না। ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাওয়াআসার কারণে ইলেকট্রিক সামগ্রীসহ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের ব্যবসায়ীদের লোকসান গুণতে হচ্ছে। আর দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সর্বস্তরের মানুষ।সরাইলের ব্যবসায়ী ফয়সাল আহামেদ দুলাল  বলেন, টানা লোডশেডিংয়ের কারণে অভিভাবকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তাদের সন্তানদের পড়ালেখা নিয়ে। তার পর আকাশে মেঘ জমতে দেখলেই বিদ্যুৎ চলে যায়। একটু ঝড়ো হাওয়া হলেই  তিন – চার ঘন্টা ধরে একটানা বিদ্যুতের দেখা মেলে না।সরাইল  বিদ্যুতের বিরুদ্ধে এমনি নানা অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী।