আশুলিয়ায় উপজাতি নারী গণধর্ষণের শিকার ; আটক-১

81

তৌকির আহাম্মেদ:  সাভারের আশুলিয়ায় এক উপজাতি (মারমা) গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় রনি নামের এক অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ।  ঘটনায় তিন জনের নাম উল্লেখ করে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এর আগে  গত মঙ্গলবার (১৩আগস্ট) আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকার মঈন উদ্দিনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে,  শনিবার (১৭আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ্য করে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন,পাবনা জেলার আটঘরিয়া থানার পাইকপাড়া গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে রনি (২১), ডেণ্ডাবর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা খোরশেদ আলম খোকনের ছেলে জয় (২২) এবং ফরিদপুর জেলার শামীম (২৬)। অভিযুক্ত রনি এবং শামীম ডেন্ডাবর এলাকায় ভাড়াবাড়িতে থাকত।

মামলার এজাহারসূত্রে জানা যায়, “গত মঙ্গলবার (১৩আগস্ট) অবৈধভাবে মদ তৈরি অভিযোগ তুলে উপজাতি দম্পতির ঘরে ঢোকে তিন বখাটে। পরে তারা ওই গৃহবধূ ও তার স্বামীর নিকট  ২লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ সময় অভিযুক্তরা বাসায় ভাংচুর চালায়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই গৃহবধূর স্বামীকে মারধর করে অভিযুক্ত ওই তিন যুবক। পরে তারা ওই গৃহবধূর স্বামীকে পাশের কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে এবং ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় তারা ওই গৃহবধূর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন সহ নগদ প্রায় ১০হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনার জানাজানি হলে প্রাণ নাশের হুমকিও দেয় ওই তিন যুবক।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিজাউল হক দিপু জানান, উপজাতি গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই রনি নামের এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের  (ঢামেক) ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।