সরাইল্লা কাইজ্জা/ঝগড়া নির্মুলে পরামর্শ কি?

95
মোঃ তাসলিম উদ্দিন: সম্প্রতি সরাইলের কাইজ্জা বা ঝগড়া নিয়ে খন্দকার তারেক আহাম্মদের( ১৬ আগস্ট) ফেসবুকের লেখা হুবহ দেওয়া হল “সরাইল্লা কাইজ্জা” নির্মূলে  আমার পরামর্শঃ
১.  প্রতিটি ওয়ার্ডে ২০/২৫ জন সদস্য নিয়ে   একটি “সালিশ সভা” গঠিত  হবে।
২. এলাকার সর্বজন শ্রদ্ধেয়  একজন সজ্জন ব্যক্তিকে সভাপতি এবং এলাকার নির্বাচিত ইউ পি সদস্যকে সেক্রেটারি করে উক্ত মহল্লার সব গুষ্টি বা বংশ হতে শিক্ষিত যুবক সহ সামাজিক মনোভাবাপন্ন লোকদের  এই “শালিশ সভা”র সদস্য বানাতে হবে।
৩.  এলাকায় কোন জগড়ার সূত্রপাত হলে সাথে সাথে  শালিস সভার সদস্যগন উভয়পক্ষকে থামিয়ে দিবেন এবং সংগঠিত ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানকল্পে দ্রূত ব্যবস্থা নিয়ে পক্ষদ্বয়কে  জানিয়ে দিবেন।  এরপর স্বল্প সময়ের মধ্যে ন্যায় বিচারের ভিত্তিতে ঝগড়াটা নিরসন করতে হবে।মনে রাখতে হবে, কোন ঝগড়াই  সাথে সাথে বেড়ে যায় না। সময় যত গড়াবে, আক্রোশ তত বাড়বে। আর এ ক্ষেত্রে সমাজের মানুষগুলো কম দায়ী নহে। তারা চেয়ে চেয়ে শুধু দেখে। অথচ, কম থাকতে মিমাংসা করলে কিন্তু এতো রক্ত ঝরে না।
৪. কোন পক্ষ সালিশসভার সিদ্ধান্ত না মানলে  কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫৷ যদি মনে হয় কোন একটি পক্ষের একঘেয়েমির কারনে দরবার শেষ করতে পারছেন না, তাহলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাহায্য নিবেন।
৬. সালিশ সভার সদস্যগন এলাকাবাসীকে নিয়ে নির্যাতিতের সাথে থাকবেন।
৭. ওয়ার্ড কমিটি কে ইউনিয়ন কমিটি এবং ইউনিয়ন কমিটিকে উপজেলা কমিটি নিয়ন্ত্রন করবে। পদাধিকারবলে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান  ইউনিয়ন কমিটির ও উপজেলা চেয়ারম্যান কেন্দ্রীয় কমিটি তথা উপজেলা কমিটির সেক্রেটারির দায়িত্বে থাকবেন।উভয় কমিটিতে সর্বজনশ্রদ্বেয়   একজন  করে সভাপতি নিয়োজিত হবেন।
৮. প্রতি মাসে উপজেলা কমিটি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ও সি) উপস্থিতিতে মাসিক সমন্বয় সভা করবে।
বিঃদ্রঃ এটা আমার নিজস্ব মতামত। গ্রহন করা না করা আপনাদের এখতিয়ার।
ধন্যবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here