চৌদ্দগ্রামে পরম শ্রদ্ধায় শোক দিবস পালিত

111
নূরুল আলম আবির: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং পরম শ্রদ্ধায় জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে ১৫ই আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে মিলাদ মাহফিল, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন— কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সাবেক রেলপথ মন্ত্রী, কুমিল্লা-১১ আসন চৌদ্দগ্রামের জনপ্রিয় সাংসদ মোঃ মুজিবুল হক এমপি। সাবেক রেলপথ মন্ত্রী এর আগে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানার সভাপতিত্বে শোক দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুস সোবহান ভূঁইয়া হাসান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এবিএম এ বাহার, জেলা পরিষদের সদস্য ভিপি ফারুক আহমেদ মিয়াজী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপন দেবনাথ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আজহারুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন পাটোয়ারী, জেলা আ’লীগের সদস্য কামাল উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও শ্রীপুরের ইউপি চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও বাতিসার ইউপি চেয়ারম্যান জিএম জাহিদ হোসেন টিপু, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ইদ্রিস মিয়াজী, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মীর হোসেন মীরু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক এএসএম শাহীন মজুমদার, পৌরসভা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা তমিজ উদ্দিন তনু, উপজেলা যুবলীগ নেতা মোতাহার হোসেন ঝুমন, ছাত্রলীগের আহবায়ক তৌফিকুল ইসলাম সবুজ, ছাত্রলীগ নেতা দ্বীন ইসলাম রাজুসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
চৌদ্দগ্রামে আয়োজিত শোক দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শোক দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক রেলপথ মন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক এমপি। তিনি এরপর চৌদ্দগ্রামের শ্রীপুর ইউনিয়নের নালঘর বাজারস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
জাতীয় শোক দিবসে মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে— চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সকল ইউনিয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল পার্টি অফিস। সারাদেশের মত চৌদ্দগ্রামও ছিল শোকের আবহে নিশ্চুপ। জাতির জনককে হারিয়ে শোকে শোকাতুর সারা বাংলাদেশ।
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের এই দিনে রাতের অন্ধকারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি। এই নৃশংস ও জঘন্য হত্যাকাণ্ডের বিচার যেন না হয়, সেজন্য তারা ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে বিচারের পথ খুলে যায়। বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বেশ কয়েকজনের খুনের দায়ে ফাঁসি হয়। বাকী খুনীদেরও দেশে এনে বিচারের আওতায় আনা হবে বলে অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেছে শেখ হাসিনার সরকার। জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করতে এ দায়িত্ব প্রতিটি বাঙালির। যিনি আমাদের মুক্ত ডানা মেলা একটি নীল আকাশ দিয়েছেন, এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন; সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনীদের বিচার না হয়ে পারে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here