সরাইলে কোরবানির  চামড়া নিয়ে ফেসবুকে তোলপাড়

333

মোঃ তাসলিম উদ্দিন: কোরবানির পর পশুর চামড়া বিক্রি করতে পারছেন না কোরবানিদাতারা। আর কম দামে চামড়া কিনেও বিপাকে পড়েছেন অনেক মৌসুমী ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ীরা। এমনকি এতিমখানা ও মসজিদে দানের চামড়া বিক্রির জন্য সারাদিন অপেক্ষা করেছেন  কিন্তু কোনো ক্রেতা মেলেনি আর মিললেও ঠিকঠাক দাম দিতে চায়নি। তাই রাগে-ক্ষোভে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলেছেন অনেকে।  আবার অনেকে চামড়া কেটে ড্রেনে বা খালে ফেলে দিয়েছেন। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদ প্রকাশ করেছেন,  সমালোচনা ও ক্ষোভ।অনেকে লিখেছেন ৩৪হাজার টাকা গরুচামড়ার দাম বিশ টাকা, স্যোশাল মিডিয়ার উত্তপ্ত হয়ে আছে চামড়া দড় পতন নিয়ে। ফেসবুকে  রওশন আলির লেখার একটি অংশ   লিখেছেন,  চামড়া ব্যবসা! লোকসানের অপর নাম! বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের চামড়া বাজারে ধারাবাহিক দরপতনে ধ্বস নেমেছে। এতে করে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি পণ্য চামড়া এখন ব্যবসায়ীদের কাছে লোকসানের পণ্য হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই ব্যবসায় অর্থ  বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি ফিরে পাওয়াতো দূরের কথা, পরিবহন, লবন এমনকি লেবার খরচও উঠিয়ে আনতে পারছেনা। এমতাবস্থায় ব্যবসায়ীরা বড় হতাশ! বড় দুর্দশাগ্রস্ত! তার এই পোস্টে কমেন্টে সজল লেখেছেন, আফসোস সিন্ডিকেট ব্যবাসায়ী যারা তিলে তিলে ধ্বংশ করছে গবীর সাধারণ মানুষ এবং সম্পদ তাদের জন্যে ঘৃণা রইলোনরোমান ঠাকুর কমেন্টে লিখেছেন,একটা বছর বিক্রি না করে, মাটিতে ফুতে রাখলে ট্যানারি ওয়ালারা বুঝবে, বাঙ্গালী কি জিনিস….

কোহিনুর বেগম নামে একজন কমেন্টে লিখেছেন, চামড়ার দাম নেই বাট ব্যাগ কিনতে গেলে দাম শুনে বলতে হয় বাপরে!! এই গরীবের হক কার পকেটে যাচ্ছে সরকার বাহাদুরের কেন এই উদাসীনতা আমার ছোট মাথায় আসেনা। উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকার ও ব্যবসায়ীরা মিলে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। এবার ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ৪৫-৫০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩৫-৪০ টাকা হবে। গত বছর প্রতি বর্গফুটের দাম একই ছিল।এছাড়া সারাদেশে খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১৮-২০ টাকা এবং বকরির চামড়া ১৩-১৫ টাকায় সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে ব্যবসায়ীদের।