বুড়িচংয়ে বিভিন্ন হাট বাজারে জমজমাট পশুর হাট,চাহিদার তুলনায় পশু বেশি

109
বুড়িচং (কুমিল্লা)  প্রতিনিধি।। শেষ মুহুর্তে এসে বুড়িচং উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে   কোরবানির পশুর হাট জমজমাট। এবার কোরবানির পশু চাহিদার তুলনায় সংখ্যা বেশি। অন্যান্য বারের তুলনায় এবার ভারতীয় গরু হাট বাজার গুলোতে কম উঠেছে। এবার কেতাদের পছন্দ দেশী গুরু। সরেজমিনে ও বিভিন্ন হাট বাজারে গিয়ে দেখা গেছে কোরবানির পশুর হাট বেশ জমে উঠেছে। শনিবার বুড়িচং উপজেলা সদরে কোরবানির পশুর হাটে পশুর দাম সারাদিন সহনশীল পর্যায় ছিল। আওয়ামীলীগ নেতা নজরুল ইসলাম ভূইয়া  জানান তিনি বুড়িচং বাজার থেকে শনিবার বিকালে কোরবানির একটি ষাঢ় ক্রয় করেছেন এক লাখ টাকায়। তিনি মনে করেন গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর হাট বেশ সহনশীল। এবছর আমাদের এই অঞ্চলের বাজার গুলোতে ভারতীয় গুরুর প্রভাব তেমন একটা লক্ষ্য যায়নি। দেশীয় গুরুর চাহিদা এবার সকল ক্রেতার নিকট পছন্দসই ছিল। এছাড়া উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন এর সীমান্তবর্তী হাট বাজার গুলোতে কিছু কিছু ভারতীয় গরুর প্রভাব দেখা গেছে। শংকুচাইল বাজার,দক্ষিণ গ্রাম বাজার, ছয় গ্রাম বাজার, ফকির বাজার, সহ কয়েকটি বাজারে ভারতীয় গুরু বেশ কিছু দেখা গেছে। এসমস্ত গরু দেশীয় পশুর তুলনায় বেশ দাম ছিল এর মধ্যে ও দেশীয় পশুর চাহিদা ভালো ছিল। বাকশীমুল ইউনিয়নের সদস্য ফারুক খান জানান গরুর দাম এমন কিছু টা নিম্ন মুখী প্রভাব ফেলায় খামারিদের কিছুটা লোকশান গুনতে হবে। এবার গো খাদ্য খৈল ভূষি ক্ষুদ এসবের দাম বেশ উচ্চ মূল্য ছিল। তার পর এবার ক্রেতা এবং বিক্রেতার মধ্যে মোটা মোটি সমতা ছিল। উপজেলা যুবলীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম, কামাল হোসেন জানান এবছর  পশুর হাট বাজারে কোন ধরনের বিশৃংখলা দেখা যায় নি।তবে কোথাও কোথাও গুরু হাশিল একটু বেশী  আদায় করার অভিযোগ রয়েছে।