তাহিরপুরে বাসর রাতে স্মামীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

126

আতিকুর রহমান: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বাসর রাতে স্বামীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ব্যাক্তির নাম অজিত বর্মণ (২৬)। সে উপজেলার শ্রীপুর (উত্তর) ইউনিয়নের মুজরাই গ্রামের নিরবর্ধন বর্মণের ছেলে। শুক্রবার দিনগত রাত ১টার দিকে বাসরঘরের পিছন থেকে নিহত ব্যাক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। এমন মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে অজিত বর্মণের সঙ্গে বিয়ে হয় পার্শবর্তি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার

ফহেতপুর ইউনিয়নের গোপালগঞ্জ গ্রামের সুধন বর্মণের মেয়ে সানজিদা বর্মণের সঙ্গে। বৃহস্পতিবার অজিত বর্মনের বাড়ীতে বৌ ভাতের অনুষ্টান হয়। অনুষ্টানে কণে ও বর পক্ষের দাওয়াতী লোকজন অংশগ্রহণ করেন। বিকালে কণে পক্ষের লোকজন তাদের বাড়িতে ফিরে যান। এক পর্যায়ে অজিত বর্মনের বন্ধু বান্ধব ও পরিবারের লোকজন নিহত ব্যাক্তির ঘরে ফুলসজ্জার আয়োজন করেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্মামী স্ত্রীকে বাসরঘরে দিয়ে বন্ধু বান্ধব নিজ নিজ ঘরে গিয়ে ঘুমিয়ে পরেন। রাত ১টার দিকে প্রতিবেশীরা দেখতে পান অজিত বর্মন তার বাসর ঘরের পিছনে টাঙ্গুয়া হাওরের তীরে করচগাছে গলায় রশ্মি দিয়ে ঝুলে রয়েছে। পরে চিৎকার শুনে পরিবারের লোকজন ও গ্রামবাসী লাশ গাছ থেকে নামিয়ে শ্রীপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে সকালে এসে লাশ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন। নিহতর নববিবাহিত স্ত্রী সানজিদা বর্মণ জানান, তার স্মামী
বাসরঘরে ঢোকার ঘন্টাখানেক পর প্রকৃতির ঢাকে সাড়া দিতে ঘরের বাহিরে যান। প্রায় ১ ঘন্টার পর পরিবারের লোকজনের কাছে জানতে পারেন তার স্মামী গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে।তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান জানান, বাসর রাতে স্বামীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের বিষয়টি শুনে শনিবার সকাল ১০টায় ঘটনার স্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে, ময়না তদন্তের পর বিষয়টি পরিষ্কার করে বলা যাবে।