কালুখালীর শিক্ষা অফিসে নানা অনিয়ম

133

আবুল কালাম আজাদ: রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সরকার রওশন আরা দীর্ঘ ২ বছর টেপুটেশনে অন্যত্র কর্মরত আছেন। অফিস পরিচালনা করছেন ২ জন সহকারী শিক্ষা অফিসার । তাদের নানা অনিয়মের মধ্যদিয়ে পরিচালিত হচ্ছে কালুখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

সম্প্রতী কালুখালী উপজেলায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা ফুটবল টুর্নামেন্ট ও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ খেলা সম্পন্ন হয়েছে। খেলা পরিচালনার জন্য ৭ ইউনিয়নে ৩৫ হাজার টাকা সরকারী বরাদ্দ ছিলো । কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিস ৭ ইউনিয়নে মাত্র ২৮ হাজার টাকা প্রদান করেছে।

ইতিমধ্যে কালুখালীর ৩ শ ৮৫ জন শিক্ষকের সাব ক্লাষ্টার ট্রেনিং সম্পন্ন হয়েছে । ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহনকারীদৈর ২শ ৮০ টাকা করে ট্রেনিং ভাতা প্রদানের নিয়ম থাকলেও তা প্রদান করা হয়নি। শিক্ষকরা জানান,তাদের কাছ থেকে ৩০ টাকা হিসেবে ১১ হাজার ৫ শ ৫০ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে।

বদলী বানিজ্যকরনের অভিযোগ রয়েছে সহকারী শিক্ষা অফিসারদের বিরুদ্ধে। রাইপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ শতাধিক শিক্ষার্থীদের অনুকুলে ৪ জন শিক্ষক ছিলো। বানিজ্যকরনের মাধ্যমে ওই স্কুলে শিক্ষক জেছমিন আক্তারকে ভূয়া ডেপুটেশন দেখিয়ে বালিয়াকান্দিতে বদলী করা হয়েছে। ফলে স্কুলটি চরমভাবে শিক্ষক সংকটে আছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশিদা পারভীন জানান, সামনে পরীক্ষা তাই শিক্ষক সংকট দুর হওয়া দরকার ।

আত্মীয় করন হয়েছে ঝাউগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে । ওই বিদ্যালয়ে ছাত্র অনুপাতে ৫ জন শিক্ষক থাকার কথা । কিন্তু অতিরিক্ত পদ সৃষ্টি করে সেখানে ৬ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে । উপজেলার অধিকাংশ স্কুল যেখানে শিক্ষক সংকটে সেখানে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন ঝাউগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আমেনা খাতুন।