বই, বাঁশি, গান! আড্ডায় হুমায়ুন মহাপ্রাণ…….

165

মনিরুল কবির বাধন: নগরীর অন্যতম প্রাচীন সংগঠন *এখন সময়*।  এর ই পৃষ্ঠপোষকতায় গত ১৯ জুলাই নগরীর পাঁচলাইশ এর ইচ্ছে ঘুড়ি স্কুলে হয়ে গেলো “লীলাবতী পাঠাগার” এর সাহিত্য আড্ডা ও হুমায়ুন স্মরণ।

বই হউক স্বপ্ন ও সুস্থতার সহযাত্রী। এ মতাদর্শ কে সামনে রেখে বই নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে লীলাবতী পাঠাগার। আপনার বইয়ে আমি পাঠক, আমার বই এ আপনি পাঠক- এমন চিন্তা ভাবনায় ও এই সরল রেখায় বই পড়া আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে লীলাবতী পাঠাগার।

এর ই ধারাবাহিকতায় ১৯ জুলাই বাংলা সাহিত্যের মহান সম্রাট হুমায়ুনের প্রয়াণ দিবসে লীলাবতি আয়োজন করে সাহিত্য আড্ডা। গল্প-কবিতা, গান-সুর, বাঁশি-ভালোবাসায় উঠে আসে হুমায়ুন, উঠে আসে বই, উঠে আসে লীলাবতীর অতীত-বর্তমান, রচিত হয় ভবিষ্যৎ। বিকাল ৫ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত ইচ্ছে ঘুড়ি স্কুলের সুসজ্জিত ক্লাস রুমে আলো বাতাসের ছায়াখেলায় চলে এ আয়োজন।

কবি পুলক বিশ্বাস, কবি বিপ্রতীপ অপু ছিলেন আড্ডার কেন্দ্রবিন্দু।  পুলক বিশ্বাসের কবিতা আর অপু দার বাঁশির সুর আলোড়ন তুলে মানসপটে। সাথে নানা গায়কির নানান গান, তরুন কবিদের আবেগ কবিতা কিংবা পাড়াগাঁয়ের বই সফলতার গল্প সব, সব ই ছিলো মুগ্ধতায় অনন্য।

আড্ডার ভাঁজে ভাঁজে কিংবা সর্বাঙ্গে ছিলো প্রিয় হুমায়ুন। উঠে আসে কালজয়ী এ মহাপ্রাণের মহান কলম শিল্প গুলে। উঠে আসে এই জাদুকরের প্রতি তার অগনিত ভক্ত প্রাণের ভালোবাসা। এভাবে ভালোবেসে বেঁচে থাকবে হাজার বছর প্রিয় হমায়ুন……

সর্বশেষে প্রিয় মিজান ভাইয়ের পাহাড়ি গান ছিলো তৃপ্তির ঢেঁকুর। আর সেলিনা শেলি যার শ্রমে এ লীলাবতী পাঠাগার,  তার সমাপনী আপায়্যনে শেষ হয় দীর্ঘ অথচ মুগ্ধকর এ আয়োজন।