যমুনার ভাঙণের শিকার কয়েকটি গ্রাম: সরিয়ে নিচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর 

39

অলোক কুমার আচার্য্য: যমুনার ভাঙণের কবলে পরেছে পাবনার বেড়া উপজেলার দক্ষিণ চর পেঁচাকোলা গ্রাম। বিলীন হওয়ার আশংকায় দক্ষিণ চর পেঁচাকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ভেঙে সরিয়ে নিয়েছে কতৃপক্ষ।

গত বুধ ও বৃহস্পতিবার তারা স্কুলের টিন ও অন্যান্য জিনিস সরিয়ে নেয়। অথচ উপজেলার দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা শুরু হবে আগষ্টের ১ তারিখ থেকে। রুটিন দেয়া হয়ে গেছে। এখন স্কুলই নেই। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ সময়ে ক্লাস করতে না পারায় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা মারাত্বক ব্যাহত হচ্ছে। এ নিয়ে স্কুলটি তিন-চারবার ভাঙণের শিকার হয়েছে। এদিকে বন্যা শুরু হওয়ার পর দক্ষিণ চর পেঁচাকোলার সাথে পাঠদান বন্ধ আছে পুকুরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চর সাঁড়াশিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। এছাড়া বন্যার পানিতে ডুবে গেছে ৫৮ নং পাইককান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। জানা যায়, ঐ গ্রামে ভাঙণ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয়ের উপস্থিতি একেবারে কমে গেছে। বাড়িঘর নদীগর্ভে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে অনেকে তাদের বাড়িঘর ভেঙে অন্যত্র চলে গেছে। এদিকে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ সহায়তা সংক্রান্ত বিষয়ে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কমকর্তার কার্যালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দেখা যায় বেড়া উপজেলার যমুনা নদী তীরবর্তী ঘোপসিলন্দা,পেঁচাকোলা,পাইখন্দ এলাকার হুড়াসাগর নদী ও নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নের সাফুল্লাপাড়া ভাঙণের শিকার। সাফুল্লাপাড়ার আংশিক এলাকা বন্যা প্লাবিত রয়েছে। ভাঙণ প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ স্থাপনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় ইতিমধ্যেই দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আনাম সিদ্দিকী ইত্তেফাককে জানান, দুর্গত এলাকায় শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। নতুন নতুন প্লাবিত এলাকাতেও ত্রাণ বিতরণের জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here