হিজবুত তাওহীদের গোপন তথ্য ফাঁস করলেন মাওলানা আব্দুর রহিম মাদানী!

413

কালজয়ী রিপোর্ট: বর্তমান সময়ে আলোচিত ও বিভ্রান্ত গোমরা দলের নাম হচ্ছে হিজবুত তাওহীদ।এই হিজবুত তাওহিদের বৃদ্ধ ও বয়স্ক মানুষটির নাম মো: বায়েজিদ খান পন্নী যার নিজের মধ্যে ইসলামের নূন্যতম কোন জ্ঞান নেই কোরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ তেলাওয়াত করার যোগ্যতা নেই। মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে এবং তারই অনুসারী একজন বিভ্রন্ত গোমরা লোক মো: সেলিম নামে যিনি ভালো করে দেখে কোরআনও তেলয়াত করেতে জানেনা রাসুলের হাদিসও জানেনা এমন কি আমি তাকে চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি তিনি সহি ও শুদ্ধভাবে আরবি হরফ গুলো উচ্চারণ করতে জানেনা ।তিনি আমাদের সামনে মুসলিম উম্মাহর সামনে ইসলামের রূপ রেখা নিয়ে কথা কলছেন। এমন কি মনগড়া কোরআন সুন্নাহর ব্যাপারে বিভ্রান্ত মূলক ভ্রান্ত আকিদা মানুষের সামনে ফেসবুকের মাধ্যমে ইউটিউব এর মাধ্যমে ভিডিও করে বিভিন্ন কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি প্রচার করে যাচ্ছেন। অত্যান্ত দঃখের সাথে পরিতাপের সাথে আমি আপনাদের অবগত করছি আমি দুদিন আগে একটি অনলাইন ভিডিওর মাধ্যমে দেখলাম তিনি বলছেন গোটা পৃথিবীর অধিকাংশ নারী কিংবা তার চেয়েও বেশী এত নারীদেরকে যদি খোলামেলা আসার সুযোগ না দেওয়া হয় আর যদি তাদের ঘরে বন্দী করে রাখা হয় যা ওলামায়ে কেরাম বলছেন ।

ওলামায়ে কেরামদের নারীদের প্রতি যে পর্দা আরোপ করা হয়েছে এটাকে তিনি বন্দী ভাষা ব্যবহার করে মানুষদের বিভ্রান্ত করছেন সরল মানা মুসলমানদের তিনি বিভ্রান্ত করছেন। কোরআন সুন্নার সহী জ্ঞান না থাকার কারণে অনেকেই তার এই কথা মেনে নিচ্ছেন! আমি এই সমস্ত ভাইদের ও বোনদের সর্তক করে দিচ্ছি প্রিয় ভাইয়েরা প্রিয় বোনেরা দিন ও ইসলাম হচ্ছে আমানত ওলামায়ে কেরামের মাধ্যমে আল্লাহ পাক এটাকে টিকিয়ে রেখেছেন কোন বুদ্ধিজীবী কোন কলামিষ্ট কোন জ্ঞান পাপীর মাধ্যমে ইসলাম প্রচার হয়নি প্রসার হয়নি বরং ইসলামের ব্যপারে যারা ভূল ব্যাখা করেছে আপমান করেছেন পৃথিবীর ইতিহাস তাদের ড্যাস্টবিনে ফেলেছে এটাই আমাদের সামনে প্রমান রয়েছে। ইসলামকে কলোষিত করার জন্য আবু জাহাল, ওতবা, শায়বা, ওয়ালিদ ইবনে মুগিরা এবং বর্তমান যুগে সালমান রুসদি,তসলিমা নাসরিন,হুমায়ন আজাদ,শামসুর রহমান এধরনের লোকেরা অনেক প্রচেষ্টা করেছে। তাদের সকলের প্রচেষ্ট ব্যর্থ হয়েছে বায়েজাদ খান পন্নী তথাকথিত এমামুজ্জামান এবং তাদের দল সেলিম সহ তাদের সকলের প্রচেষ্টা ধ্বংস হবে ভূপাতিত হবে ধূলিসাৎ হবে । ইসলামের নামে তারা যে চক্রান্ত চালাচ্ছ আলেমদের সর্ম্পকে তারা যে বিষধগার করছে এমনি কি ইসলামের বির্ব জিত কথা বলছেন তার একটা বড় প্রমাণ নারীদর হিজাব নিয়ে তারা যে বিভ্রান্তমূলক তথ্য দিচ্ছেন। এমন কি মাহিলাদের সামনে এনে তার অযুক্তিক কথাগুলো সামনে তুলে ধরে বলছেন আজকে যদি সামনে আনা না হত নারীদের অধিকার দেওয়া হত না।

আব্দুর রহিম মাদানী বলেন আমি আমার মা বোনদের সর্তক করে দিচ্ছি মা বোনেরা আল্লাহ তায়ালা আপনাদের বন্ধী থাকতে বলেন নি ওলামায়ে কেরাম বলেন নি । মা বোনেরা আপনার মর্যাদা আপনার সাকসিয়াত টিকিয়ে রাখার জন্য আল্লাহ পাক আপনাদের জন্য ভিন্ন হুকুম দিয়েছেন কোরআন মাজিদে, আল্লাহ পাক আপনাকে যে সুন্দর্য্য দিয়েছেন আপনি যেন আপনার মর্যাদা নিয়ে চলতে পারেন আপনার মর্যাদা যেন অক্ষুন্য থাকে আল্লাহ পাক ব্যবস্থা করে দিয়েছেন পর্দার মাধ্যমে। কোরআন মাজিদে আল্লাহ বলেছেন হে নারী সম্প্রদায় তোমরা ঘরের মধ্যে আবস্থান কর, বাহিরে যাবে শালিনতার সাথে পর্দা করে যাবে নিজের অংঙ্গ প্রতঙ্গ প্রকাশ করে বেহাপনা করে জাহিলিয়াতের যুগের নারীদের মত প্রকাশ করে যেওনা। ২য় আয়াত: নারীদের কাছ থেকে তোমরা যদি কিছু চাও তাহলে পর্দার অন্তরাল থেকে চাও ,যেখানে পর্দার আরাল থেকে আল্লাহ চাইতে বলেছেন সেখানে কতবড় মূর্খ হলে কতবড় জাহেল হলে আল্লাহ পাকের এই আয়াতের বিরুদ্ধে তারা মনগড়া কথা বলে যাচ্ছে! নির্দেশ হচ্ছে আল্লাহ তায়ালার অথচ এই হিজবুত তাওহিদের লোকেরা মনগড়া ইসলামের নামে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ চালিয়ে যাচ্ছে এগুলো হচ্ছে দাজ্জাল এগুলো হচ্ছে ফেতনাবাজ এই ফেতনাবাজ হতে আমাদের সর্তক থাকতে হবে । প্রত্যেক নর নারী উপর দিনের উপর জ্ঞান অর্জন করা ফরজ করা হয়েছে যাতে করে নারীদের ঈমান নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে, নারীদের দিন কেউ নষ্ট করতে না পারে, নারীদের ইবাদত কেউ নষ্ট করতে না পারে । আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে সব ধরনের ফেতনা থেকে সর্ত্ক থেকে কোরআন সুন্নাহ অনুসারে আমল করার তৌফিক দান করুণ।