ফতুল্লার নিখোঁজ ব্যবসায়ী টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে নিহত

133

শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী শিপন: নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা উপজেলার নিখোজ ব্যবসায়ী মো: জাবের মিয়া টেকনাফে বিজিবি’র সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। গতকাল ভোরে টেকনাফের জাদিমুড়া শিকলপাড়া নাফ নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে।ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি,তিন রাউন্ড কার্তুজ এবং ১০ হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

কমান্ডার লে.কর্নেল ফয়সাল হাসান খান জানান,মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জাদিমুড়া শিকলপাড়া এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা চালান পাচার হবে এমন সংবাদে দমদমিয়া বিওপি সদস্যরা অভিযান চালায়। মঙ্গলবার ভোরে নাফ নদী পার হয়ে কিছু লোক এপারে উঠলে বিজিবি তাদের চ্যালেঞ্জ করে। তারা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালালে বিজিবি আত্বরক্ষায় পাল্টা গুলি চালালে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।এদিকে গত ১৩ জুলাই ব্যবসায়ী মো: জাবের ব্যবসায়ীক টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে ফেনীর ওনাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে উল্লেখ করে সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোজ নেওয়ার পর জাবেরের স্ত্রী ইসমত আরা ১৬ জুলাই ফতুল্লা মডেল থানায় ডায়েরী করেন । ডায়েরী নং ৬১। জাবের যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের এস এম জাকারিয়ার ছেলে। সে সাইনবোর্ড এলাকায় ভাড়া বাসায় স্ত্রী সহ বসবাস করছিলেন।

নিখোঁজ হওয়া জাবেরের স্ত্রী জানায় ,গত ১৩ জুলাই রাতে ফেনীর এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা আনার জন্য নারায়নগঞ্জ থেকে রওনা হয়। কিন্তু এর পর থেকে তার সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারছিনা ,তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ প্রসঙ্গে পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা শফিউর আলম বলেন, আমরা জাবের নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়েছি তাকে খুজে পেতে সর্বাত্বক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সর্বশেষ মোবাইল ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে জাবেরের অবস্থান টেকনাফের উখিয়া দেখানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা ইতিমধ্যে উখিয়া থানার সাথে যোগাযোগ করেছি আশা করছি অতিসত্বর তার সন্ধান পাওয়াযাবে।

থানায় জিডি করার পর দিন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হতে জিডিতে দেওয়া দুটো মোবাইল নাম্বারের একটিতে যোগাযোগ করা হলে জাবেরের ভাই জানান আমরা নিশ্চিত নই তবে ঘটনা শুনেছি। তিনি দাবি করেন তার ভাই হোসিয়ারী ব্যবসা করেন ,তার ভাই পান বিড়ি-সিগারেট খেতেন না। এবং তিনি অত্যান্ত সহজ সরল মানুষ।

এদিকে মডেল থানার পুলিশ অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো: আসলাম হোসেন ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হয়েছে তাদের একজন জাবের।

ওসি আরো জানান,জাবের হয়তোবা মাদক কারবারির সাথে জড়িত তার পরিবার ঘটনাটি আড়াল কিংবা দায় এড়ানোর জন্য জিডিটি করেছেন। কেননা তার মোবাইল ট্রেকিং রিপোর্ট বলছে তার সর্বশেষ অবস্থান টেকনাফ। ওসি আরো বলেন তার বিরুদ্ধে অন্য কোন মামলা রয়েছে কিনা খোজঁ নিয়ে দেখছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here