মাটি কাটার ফলে বর্ষা মৌসুমে আতঙ্কে গোমতীর তীরে বসবাসরত মানুষরা

106

মোঃ আনোয়ার হোসাইন: গোমতী নদী থেকে শুস্ক মৌসুমে কিছু প্রভাবশালী লোক নদী থেকে মাটি কেটে নিয়ে ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক কাজে লাগায়। অসাধু ব্যবসায়ীরা নদী বক্ষে ড্রেজার ও এস্কেবেটর ও কোদাল দিয়ে মাটি কেটে নিয়ে যায় প্রতিনিয়ত।আর এই অপরিকল্পিতভাবে মাটি কাটার ফলে বর্ষায় গোমতী নদীর পাড় ভেঙে পড়ার আশংকা করা হচ্ছে। নদীবক্ষে যত্রতত্র মাটি কাটায় বর্ষায় এর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে পার্শ্ববর্তী ঘরবাড়ি, ফসলি জমিসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে পড়ার আশংকা রয়েছে। নদী-নালা, খাল-বিল, জলাশয় থেকে সরকারি অনুমতি ছাড়া মাটি কাটা নিষেধ হলেও প্রভাবশালীরা এর কোনো তোয়াক্কা না করে দিবা-রাত্রি মাটি কাটায় লিপ্ত ছিলেন গোমতীর বুকে সবসময়। বিনা অনুমতিতে নদী বক্ষে মাটি কাটা যায় কিনা তা সবসময়ই প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো।আর এই অনুমতিই বা মিলে কিভাবে।না অবৈধভাবেই তা উত্তোলন করে? অবাধে মাটি কাটায় গোমতী চরের বিস্তীর্ণ এলাকায় শত শত একর জমিতে চাষাবাদ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন অসংখ্য কৃষক। ফলে কমছে চরে উৎপাদিত ফসলের পরিমাণও।চলতি বর্ষা মৌসুমে নদীভাঙনের চিন্তায় চরম আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে নদীতীরের মানুষদের। তাই মাটি কাটা সিন্ডিকেট লাখ লাখ ঘনফুট মাটি বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা আয় করলেও উৎকন্ঠায় থাকতে হয় বর্ষা মৌসুমে গোমতী চরের ভেতরে বসবাসরত মানুষদের।