সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটের সকল বাস চলাচল বন্ধ

249

হুমায়ুন কবির সুমন: মালিক সমিতির সঙ্গে দ্বন্দের জের ধরে সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের বাস চলাচল। সকাল থেকেই সিরাজগঞ্জ বাস টার্মিনাল থেকে ঢাকা রুটে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। অপরদিকে, ঢাকা থেকেও সিরাজগঞ্জে আসেনি কোনো বাস। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন এ রুটে যাতায়াতকারী যাত্রী সাধারণ। শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির সভাপতি জিন্নাহ আলমাজি বাস বন্ধ থাকার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত রোজার ঈদের আগে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সেবা লাইনের ১৪টি বাস সিরাজগঞ্জ রুটে চালু করতে চেয়েছিল। ওই সময় ঈদের ভিড় থাকায় বিষয়টি নিয়ে পরে উভয় সমিতি বসে আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু, সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে তারা সেবা লাইনের বেশ কয়েকটি বাস এ রুটে চালু করে। এনিয়ে দুই সমিতির মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। তবে, দ্বন্দ্ব সমাধানে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) শরণাপন্ন হলে তিনি ৯ জুলাই (মঙ্গলবার) মহাখালী মালিক সমিতি, সিরাজগঞ্জ জেলা মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন নেতাদের নিয়ে আলোচনায় বসেন। আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে উভয় সমিতি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু দু’দিন যেতে না যেতেই ১১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) মহাখালীতে আমাদের (সিরাজগঞ্জের) সব কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়। শুক্রবার (১২ জুলাই) হাইওয়ে চন্দ্রা মোড় ও গাবতলী ব্রিজ থেকে যাত্রী নামিয়ে গাড়িগুলোকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এ কারণেই শনিবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটে সব ধরনের বাস চলাচল। মহাখালী বাস টার্মিনাল সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক জানান, মহাখালীতে তিনটি কাউন্টারে চলছে সিরাজগঞ্জের ৬০/৭০টি গাড়ি। অথচ, আমাদের একটি গাড়ি (সেবা লাইন) ঢোকাতে গত তিনমাস ধরে তাদের পেছনে ঘুরতে হচ্ছে। গত ৯ জুলাই (মঙ্গলবার) সিরাজগঞ্জ ডিসির সঙ্গে আলোচনা সভা শেষে তাদের দাওয়াত দিয়েছি- আসুন আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু তারা সাড়া দেননি। আমরা কোনো গাড়ি বন্ধ করিনি। এটা শ্রমিকদের ব্যাপার। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, শনিবার সকাল থেকে কড্ডার মোড়ে দাঁড়িয়ে উত্তরবঙ্গগামী সব গাড়িকে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে শ্রমিকদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করা হচ্ছে।