সংবাদ প্রকাশের পর বহুলী-ছোনগাছা রোডে বিল্ডিং ভেঙ্গে দিলো প্রশাসন

178

হুমায়ুন কবির সুমন: “সিরাজগঞ্জের বহুলী-ছোনগাছা রোডে কালভার্টের মুখ বন্ধ করে বিল্ডিং নির্মাণ”শিরোনামে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে দখলকৃত অংশ অবমুক্ত করতে অভিযান চালিয়েছে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিস কতৃপক্ষ। এসময় পাকা ভবন নির্মানের কলাম ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়। একই সঙ্গে পানি নিস্কাশন করার জন্য ইছামতি নদী পর্যন্ত সরকারি জমি (হ্যালট) বা ক্যানেল পরিস্কার করার কথাও জানান তারা। এঅভিযান মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বেলা ১২ টা থেকে বিকেল ২ টা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে ভূমি অফিসের কর্তৃপক্ষ এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আনিসুর রহমান জানান, ইছামতি নদী পর্যন্ত সরকারি জমি (হ্যালট) বা ক্যানেলের জায়গা দখলের প্রমাণ পেয়েছি। সেই জায়গা গুলো পর্যায়ক্রমে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। ইছামতি নদীর সরকারি জমির জায়গা দখলদারদের জায়গা ছেড়ে দিতে হবে তানা হলে অচিরেই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের বহুলী-ছোনগাছা রোডে বক্স কালভার্টের দু’পাশের মুখ বন্ধ করে বিল্ডিং নির্মাণ করে স্থানীয় প্রভাবশালী আলোকদিয়া গ্রামের মো: হাবিবুর রহমান ও ধীতপুর গ্রামের মজনু, নুর আলম ও আব্দুল বারী। বহুলী ইউনিয়নের নয়নজুলি, ছাব্বিশা, ধীতপুরকানু, আলোকদিয়া ও বহুলী গ্রামের কৃষি জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য বহুলী-ছোনগাছা রোডে একটি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। কালভার্টের নিচ দিয়ে পানি নিস্কাশন করার জন্য ইছামতি নদী পর্যন্ত সরকারি জমি (হ্যালট) বা ক্যানেল রয়েছে। এই বক্স কালভার্ট নির্মাণ করার ফলে সরকারি জমি (হ্যালট) বা ক্যানেল দিয়ে বহুলী ইউনিয়নের ৫টি গ্রামের পানি নিষ্কাশন হয়ে ইছামতি নদীতে গিয়ে অবতরণ করে। আর সেই পানি ইছামতি নদী দিয়ে ফুলজোড় নদীতে পড়ে। এমনিভাবে বহুলী ইউনিয়নের ৫টি গ্রামের কৃষি জমির পানি নিষ্কাশন হত। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালী আলোকদিয়ার গ্রামের হাবিবুর রহমান বহুলী-ছোনগাছা রোডের পশ্চিমে সরকারি জমি (হ্যালট) বা ক্যালন মাটি ভর্তি করে নিজস্ব বিল্ডিংয়ের রাস্তা নির্মাণ করেছেন ও কালভার্টের পশ্চিমে স্থানীয় প্রভাবশালী ধীতপুর গ্রামের মজনু, নুর আলম ও আব্দুল বারী বিল্ডিং নির্মাণ করেন।