বান্দরবানে থানচি সড়কে পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

167

বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবানে তিন দিনের টানা ভারী বর্ষণে বান্দরবানের সঙ্গে রুমা ও থানচির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) সকালের দিকে থানচি-বান্দরবান সড়কের চিম্বুক নয় মাইল নামক এলাকায় পাহাড় ধসের কারণে এই সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানান, বান্দরবানের সাতটি উপজেলায় সড়কের পাশে ছোট বড় বিভিন্ন পাহাড় ধসের কারণে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে বান্দরবানের বেশকিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জেলার সাতটি উপজেলায় ১২৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের ত্রাণ শাখায় খোলা হয়েছে ২৪ ঘন্টার মনিটরিং সেল।

বান্দরবান রেড ক্রিসেন্ট এর সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তিনদিনের ভারী বর্ষণে বান্দরবানের নির্মাণ প্লাবিত হয়েছে ইতিমধ্যে আমরা খবর পেয়েছি থানচি-বান্দরবান সড়কের চিম্বুকের নয় মাইল নামক এলাকায় পাহাড় ধসের কারণে রুমা ও থানচির সঙ্গে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। দ্রুত সড়কের মাটি সরিয়ে যান চলাচল করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম বলেন, জেলায় তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে থানচি-বান্দরবান সড়কের চিম্বুকের নয় মাইল নামক এলাকায় পাহাড় ধসের কারণে রুমা ও থানচির সঙ্গে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সড়কের মাটি সরিয়ে যান চলাচল উপযোগী করার চেষ্টা চলছে। তিলেন বলেন, পাহাড় ধস ও বন্যার আশঙ্কায় জেলার ৭টি উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা গুলিতে খোলা হয়েছে ১২৬টি আশ্রয় কেন্দ্র। দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে জেলা সদরসহ সাত উপজেলায় মাইকিং চলছে।