জগন্নাথপুরে পল্লী চিকিৎসকের ঔষধ সেবনে অন্ত:স্বত্ত্বা নারীর মৃত্যু

139

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথরপুরে গর্ভনষ্ট করতে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে গতকাল শুক্রবার দুই মাসের অন্ত:স্বত্তা এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই নারীর নাম সুমি বেগম (২৫)। তিনি উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের কাতিয়া অলৈতলী গ্রামের ফয়জুল ইসলামের স্ত্রী। সুমি বেগমের স্বামী ফয়জুল ইসলাম বলেন, দুই সন্তানের মা তার স্ত্রী। দুইটি সন্তানই সিজারের ভূমিষ্ট হয়। ছোট শিশু পুত্র ১০ মাসের। আর বড় মেয়ে দুই বছরের। অসাবধানতা বশত তার স্ত্রী অন্ত:স্বত্তা হয়ে পড়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই স্ত্রীকে বাচাঁতে গর্ভ নষ্ট করার জন্য স্থানীয় কাতিয়া বাজারে পল্লী চিকিৎসক নিধির দাসের নিকট থেকে গত বৃহস্পতিবার ঔষধ কিনে এনে রাতে স্ত্রীকে ঔষধ খাওয়ার পর রক্তকরণ শুরু হয়। এরপর থেকে রক্তকরণ বাড়তে থাকে। গতকাল দুপুরের দিকে মুর্মূষ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে আসলে স্বাস্থ্য কেন্দের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার কারনে অতিরিক্ত রক্তক্ষরনে আমার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা: তারিকুল ইসলাস বলেন, স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসার পূর্বে নারীর মৃত্যু হয়েছে। ওই নারী দুই মাসের অন্ত:সত্ত্বা ছিলেন। অতিরিক্ত রক্তকরণের কারনে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

এবিষয়ে জানতে পল্লী চিকিৎসক নিধির দাসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দুই মাসের গর্ভ নষ্ট করার জন্য ওই নারী ও তার স্বামীর আমার নিকট আসেন। তাদের অনুরোধে আমি গর্ভ নষ্টের জন্য এমএম কিট (গগ-কওঞ) ট্যাবলেট দিয়েছি। এর বাহিরা আর কিছু আমার জানা নেই।