আফগানদের সাথে কষ্টার্জিত জয়ে পয়েন্ট টেবিলের চারে পাকিস্তান 

73
আসিফ আহমেদ তন্ময়: ভারত ও পাকিস্তানকে ভালোই নাকানিচুবানি খাওয়ালো তাদের আরেক প্রতিবেশী আফগানিস্তান। কিন্তু দুই ম্যাচেই অভিজ্ঞতার অভাবে জয়ের খুব কাছে গিয়েই হার মানতে হয়েছে উদীয়মান এ দলটিকে। জিতলেই শীর্ষ চারে ওঠা যাবে এ সমীকরণ জেনেই আজ লীডসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামে পাকিস্তান।
টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন। ভালো শুরু পেলেও দলীয় ২৭ রানে আফগানদের জোড়া আঘাত দেন পাক পেসার শাহেনশাহ আফ্রিদী। পরপর দুই বলে ফেরান গুলবাদিন ও শাহিদীকে। এরপর বেশিক্ষণ ক্রীজে থাকতে পারেননি আরেক ওপেনার রহমত শাহ ও। তবে চতুর্থ উইকেট জুটিতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আফগানিস্তান।এ জুটিতে আসগার আফগান ও ইকরাম সময়োপযোগী ব্যাটিং করে যোগ করেন ৬৪ রান। আফগানদের বড় স্কোরের স্বপ্ন থমকে যায় যখন চার রানের ব্যবধানে এ দু ব্যাটসম্যান প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় স্কোরটা আর বড় করা হয়নি আফগানিস্তানের। পাকিস্তানের হয়ে শাহেনশাহ আফ্রিদী শিকার করেন চার উইকেট। নির্ধারিত  পঞ্চাশ ওভার শেষে নয় উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করে ২২৭ রান।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নামা পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের শুরু থেকেই চাপে রাখেন আফগানিস্তানের স্পিনাররা। দলীয় শূন্য রানেই ওপেনার ফখর জামানকে ফেরান মুজিবুর রহমান। এরপর ইমাম ও বাবর ৭২ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে সহজ জয়ের দিকে নিয়ে যেতে থাকলে সেখানে বাধ সাধেন আফগান স্পিনার নবী। একাই সাজঘরে ফেরান দুজনকে। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় পরাজয়ের শংকা দেখা দিলেও লোয়ার মিডল অর্ডারে ইমাদ ওয়াসিম ও ওয়াহাব রিয়াজের দৃঢ়তায় দুই বল বাকি থাকতেই তিন উইকেটের কষ্টার্জিত জয় নিশ্চিত করে বিরানব্বইয়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ইমাদ অপরাজিত থাকেন ৪৯ রানে। মোহাম্মদ নবী ও মুজিবুর রহমান শিকার করেন দুটি করে উইকেট। আফগান স্পিনাররা এদিন দারুণ বল করলেও বেশ খরুচে ছিলেন দলটির পেসাররা।আফগান অধিনায়কের করা ৪৬ তম ওভারে ১৮ রান তুলে ম্যাচের মোড় নিজেদের দিকে ঘুড়িয়ে নেন পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা। অলরাউন্ডিং পারফর্মেন্সের জন্য ম্যাচ সেরা হন ইমাদ ওয়াসিম।