প্রসঙ্গঃ ক্রস ফায়ার!

314

কালজয়ী রিপোর্ট: মাদক ব্যবসায়ী বা খ্যাতিমান অনেক সন্ত্রাসী ক্রস ফায়ারে মারা যায় , বহুদিন যাবৎ দেখে এসেছি । দু’একটা ভুলভ্রান্তি ছাড়া বেশীরভাগ ঘটনায় জনসাধারণের সমর্থনও আছে । অবশ্য ইদানীংকালে সন্ত্রাসী ক্রস ফায়ার হতে খুব একটা দেখা যায়না ! সন্ত্রাসী শব্দটিও ব্যবহৃত হয়না কোথাও , এখন বলা হয় দুর্বৃত্ত ! সন্ত্রাসী বা মাদক ব্যবসায়ীকে পুলিশ বা অন্যকোন বাহিনী গ্রেফতারের পর মাদক বা অস্ত্র উদ্ধারে বের হলে – সেই অভিযুক্তের পক্ষের লোকেরা তাকে মুক্ত করার জন্য গোলাগুলি শুরু করে , তখন পুলিশও পাল্টা গুলি করে এতে গ্রেফতার হওয়া লোকটি ক্রস ফায়ারে মারা যায় !! অভিযুক্তদের সহযোগীরা এসব দেখার পরও কেন হামলা করতে যায় বুঝিনা ! বার বারতো একই ঘটনা ঘটছে ! এটা দেখেও ওদের আক্কেল হচ্ছেনা কেন কে জানে !! তবে এ ধরনের হামলার জন্য পুলিশকে কখনো মৃত ব্যাক্তির সহযোগী , যারা পুলিশের উপর হামলা করলো তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা করতে দেখা যায় না ! এটা ঠিক না , এতে করে বারবার আসামীর সহযোগীরা হামলা করার সাহস দেখাচ্ছে ! প্রতিটি হামলার জন্য হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা উচিৎ ।

অপরাধীরা ক্রস ফায়ারকে ভয় না পেয়ে যদি আইনকে ভয় পেতো , তাহলে আইনের শাসন কায়েম হতো । কারন মাঝে মাঝে মূল্যবান জীবনের অপচয় হয় , যা কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় । প্রশান্ত নামক কুমিল্লার সাংবাদিকের ক্যামেরাম্যান ক্রস ফায়ারে মারা গেছে গতকাল রাতে , যার বিরুদ্ধে অতীতে কোন মামলা হয়নি !! তাছাড়া ইয়াবা ব্যবসায়ীরা ধনী মানুষ , ধনীদের ক্যামেরাম্যানের চাকরী করতে হয়না ! বিয়ে সাদিতে গিয়ে ভিডিও করতে হয়না !! তবে তার দোষ হতে পারে দেখতে কালো ! কালোদের মানুষ সব সময়ই সন্দেহের তালিকায় রাখে , তাই হয়তো ভুল হয়ে গেছে এমনটি আমার ধারনা হচ্ছে !! সমস্যা হচ্ছে একজনের ভুল , অপরজনের অতি মূল্যবান জীবন !

আনিসুর রহমান মিঠুর ফেসবুক থেকে।