বেড়ায় সরকারি পুকুর ভরাট বন্ধ করলেন ইউএনও

132

অলোক কুমার আচার্য্য: পাবনা বেড়া উপজেলার মোনাকষা থেকে সোনাপদ্মা ওয়াবদা বাঁধের পূর্বপাশের সরকারি পুকুর ভরাট করে বিক্রির উপযোগী করছিলেন কয়েকজন অসাধু ব্যবসায়ীরা। এ অভিযোগে পুকুর ভরাট কাজ বন্ধ করে দিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আনাম সিদ্দিকী।

জানা যায় উপজেলার নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নের মোনাকষা,বাটিয়াখড়া নতুনপাড়া ও সোনাপদ্মা গ্রামের অধিকাংশ পরিবারই নদী ভাঙনের কারনে ভূমিহীন হতদরিদ্র হয়ে বাঁধের দুই পাশে সামান্য জমি কিনে বসতি বাড়ি নির্মাণ করছে। এসমস্ত পরিবারের গোসলের ও গৃহস্থালী কাজ কর্মের জন্য একমাত্র অবলম্বন ওয়াবদা বাঁধের পূর্বপাশের সরকারি পুকুর যা সাফুল্লা মৌজায় অবস্থিত। পুকুরটি বেড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড এলাকাবাসীকে বাঁধ সংলগ্ন জমি (আধাখাল) পাবনা সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ এলাকায় উপজেলার নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নের বাটিয়াখড়া নতুনপাড়া সিরাজুল ইসলামের বাড়ি থেকে দক্ষিণে রহম মন্ডলের ভিটাবাড়ি পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরোপিট, (৫.০০একর) এফসিডিআই প্রকল্পের নীতিমালা অনুযায়ী মাছ চাষের নিমিত্তে লীজ প্রদান করে এনজিও দ্বারা পুকুর খনন করে দিয়েছিলো।

যে টি অদ্যাবদি এলাকাবাসীর একমাত্র পানির উৎস। এই পুকুরের দুই কিলোমিটারের মাঝে আর কোন জলাশয় নেই, একমাত্র যমুনা নদী ছাড়া। মোনাকষা হতে বাটিয়াখড়া নতুনপাড়া বাঁধের পুর্বপাশের সরকারি পুকুর কয়েকজন প্রভাবশালীরা প্রভাব খাটিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যমুনা নদী থেকে পাইপের মাধ্যমে বালু তুলে এনে পুকুর ভরাট করে বিক্রি উপযোগী করছিলেন। এব্যাপারে ভুক্তভুগীরা বেড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডে লিখিত ভাবে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানান।

অভিযোগ পেয়ে গতকাল (২৭ জুন) উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আনাম সিদ্দিকী নির্দেশে বেড়া থানা পুলিশ সহ পানি উন্নয়নের কমকর্তাবৃন্দরা সরকারি পুকুর ভরাট কাজ বন্ধ করে দেন।

সরেজমিন শুক্রবার (২৮জুন) মেশিনপত্র পাইপ পুকুর থেকে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ভুক্তভুগী এলাকাবাসির কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা জানান এ ব্যাপারে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য ইউএনও স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।