গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু ,লাশ আনতে স্বজনদের মারধর!

218

শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী শিপন: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় উপজেলার বারদী এলাকায় মঙ্গলবার সকালে ফারজানা (২২) নামে এক গৃহবধুর রহস্যজনক মুত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি হত্যা করা হয়েছে। এঘটনায় সোনারগাঁ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। তার একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মিশ্রিপাড়া গ্রামে ফারজানা নামে এক গৃহবধুর আত্মহত্যা করেছে এমন খবর প্রচার করা হয়। ফারজানার পরিবারের লোকজনকে বারদী ইউনিয়নের সদস্য দাইয়ান সরকার মোবাইল ফোনে মৃত্যুর খবর পরিবারকে জানায়। সোনারগাঁ থানার এসআই মোক্তারকে সাথে নিয়ে ফারজানার লাশ ঘরে পরে থাকতে দেখে। ফারজানার শশুর শাশুড়িসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়। দাইয়ান নির্দেশে উল্টো পুলিশের সামনেই ফারজানার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা চালিয়ে ফারজানার ভাই আলামিন, মো: মোক্তার হোসেন তার স্ত্রী আকলিমা, মো: শহিদ, আলমগীর, রতনকে মারাত্মক ভাবে আহত করে। আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে দাইয়ান মেম্বাররের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি হামলার কথা অস্বীকার করেন।

ফারজানার ভাই বড় ভাই ও মা বানেছা বেগম জানান, পাঁচ বছর পুর্বে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মিশ্রিপাড়া গ্রামের আঃ সাত্তারের ছেলে সুজনের সাথে মেঘনা উপজেলার চালিভাংগা পুরানগাঁও গ্রামের বাচ্চু মিয়ার মেয়ের সাথে পারিবারিক ভাবে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ফারজানাকে যৌতুকের জন্য চাপ দিয়ে আসছে। পরে বাপ-মা পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দেয়। সুজন বিদেশ চলে যাওয়ার পর কিছুদিন পর থেকে ফারজানার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এ ব্যাপারে সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন জানান এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।