টাইগার থাবায় কুপোকাত প্রোটিয়ারা

20
আসিফ আহমেদ তন্ময়: কেনিংটন ওভালে আজ দর্শক  দেখলো এক হাই স্কোরিং ম্যাচ। এখন পর্যন্ত সব ম্যাচ একপেশে হলেও এই ম্যাচটার ফল জানতে দর্শকদের দেখতে হয়েছে শেষ পর্যন্ত যেখানে টাইগারদের জয় একুশ রানে।
সাউথ আফ্রিকা শেষ পর্যন্ত খেললেও ম্যাচের লাগাম কখনোই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে শক্ত করে নিতে পারিনি। ম্যাচের পুরোটা জুড়েই ছিল বাংলাদেশের আধিপত্য।
আফ্রিকাকে স্পিনে ঘায়েল করতে এদিন তিন স্পিনার নিয়ে টিম সাজায় টাইগাররা। টসে জিতে প্রোটিয়া অধিনায়ক ডু প্লাসিস বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান।
সৌম্য, তামিমের ব্যাটে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। তামিম ছিলেন স্বভাবসুলভ ধীর স্থির অপরদিকে সৌম্যর আগ্রাসন এ ম্যাচেও জাড়ি থাকে। তাদের দুজনের কল্যাণেই শুরুর ধাক্কা দিতে ব্যর্থ হয় প্রোটিয়া পেসাররা।
ওপেনিং জুটিতে আসে ৬০ রান। তামিম ১৬ ও সৌম্য ৪০ করে আউট হন। এরপর দুর্দান্ত পার্টনারশিপ গড়ে দলকে শক্ত ভীত এনে দেন সাকিব ও মুশফিক। তাদের ১৪২ রানের জোটই বাংলাদেশকে বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখাতে থাকে। এই ভীতের উপর দাঁড়িয়ে ইনিংসের শেষ দিকে তান্ডবলীলা চালান মিথুন, রিয়াদ ও মোসাদ্দেক। রিয়াদ ৪৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। এছাড়া মিথুন ২১ ও মোসাদ্দেক ২৬ রান করেন। শেষ চার ওভারে তারা যোগ করেন ৫৬ রান। প্রোটিয়াদের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ৩৩১ রান।
পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রোটিয়ারা উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করে ৪৯ রান। ডি কক রান আউটে কাটা পড়লেও মারকারাম কে সাথে নিয়ে স্কোরবোর্ড সচল রাখেন অধিনায়ক ডু প্লাসিস। কিন্তু টাইগারদের আঁটোসাটো বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে প্রোটিয়ারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। এছাড়া মারকারাম, মিলার, ডুমিনি মাঝারি মানের ইনিংস খেললেও তা ফলাফলে কোন প্রভাব ফেলিনি।
বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বল করেন মোস্তাফিজ ও সাইফুদ্দিন। মূলত তাদের ডেথ ওভারের বোলিংই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। মোস্তাফিজ তিনটি, সাইফুদ্দিন দুটি এবং মিরাজ ও সাকিব একটি করে উইকেট লাভ করেন।
অলরাউন্ডিং পারফর্মেন্সের জন্য ম্যাচ সেরা হন সাকিব আল হাসান। এ ম্যাচে মারকারামকে আউট করার মধ্য দিয়ে সাকিব প্রবেশ করলেন পাঁচ হাজার রান ও আড়াইশো উইকেটের ক্লাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here