লায়লার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রতিমন্ত্রী পলক

110
রবিন খান: অসহায় সেই লায়লার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বিষয়টি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের নজরে আসলে বিকেলেই তার ব্যক্তিগত সহকারী রাকিবুল ইসলাম এবং স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের লায়লার বাড়িতে পাঠায়। এসময় প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষনিক ভাবে লায়লার পিতা শাহাদুল ইসলাম ওরফে হাদুর চিকিৎসার জন্য চার হাজার টাকা তুলে দেন প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী।এসময় লায়লার বাবার সার্বিক খোঁজ খবর নেন এবং পড়ালেখা অব্যাহত রাখতে তাদের পাশে থাকার কথা ব্যক্ত করেছেন প্রতিমন্ত্রী। এসময় সিংড়া মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি রাজু আহমেদ, নতুন সময় টিভির সাংবাদিক রবিন খান, চ্যানেল এসের সাংবাদিক আবু সাইদ সহ অন্যান্যেরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংবাদটি নজরে আসার পর নাটোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ শাহরিয়াজ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুশান্ত কুমার মাহাতোকে লায়লার পরিবারের খোঁজখবর এবং ১০হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া নাটোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোস্তাক আলী মুকুল সহ বিভিন্ন সংগঠন লায়লার পরিবারকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। সিংড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আলামিন সরকার জানান, প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং জেলা প্রশাসকের নির্দেশক্রমে রবিবার (২জুন) লায়লার পরিবারকে ইউএনও অফিসে আসতে বলা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১০হাজার এবং উপজেলার নির্বাহী অফিসারের তহবিল থেকে ১০হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হবে। তাছাড়া মেয়েটির লেখাপড়া যাতে বন্ধ না হয় সেজন্য প্রতিমন্ত্রী পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এরআগে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ভাগনাগরকন্দি গ্রামের শাহাদুল ইসলাম ওরফে হাদু প্যারালাইজড হয়ে শয্যাশায়ী হয়েছেন। তার দুই কন্যা সহ মোট চারজনের পরিবার। শাহাদুলের পরিবার চলে তার উপার্জনে। সারা দিন ভ্যান চালিয়ে যা আয় হয় তা দিয়েই চলতো পরিবারের চাহিদা। কিন্তু গত তিন মাস ধরে হঠাৎ করে প্যারালাইজড হয়ে শয্যাশায়ী পড়ায় বন্ধ হয়ে গেছে সকল আয় উপার্জন। বড় মেয়ে মেধাবী লায়লার পড়াশুনাও বন্ধের পথে।