তাড়াশে স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচিত্র ‘প্রদীপ নিভে যায়’ নির্মান

96

তাড়াশ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সাম্প্রতিক কৃষকদের হতাশা, দুঃখ, অপূর্ণতা, আর বিচ্ছিন্নতার জীবন বিশ্বকে দেখানোর জন্য ‘স্বপ্নদল মিডিয়া’ নামে চলবিলের সন্তানেরা শেষ করেছেন স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচিত্র ‘প্রদীপ নিভে যায়’ এর সুটিং।

একজন কৃষক পরিবারের জীবিকা নিয়ে গড়ে উঠেছে কাহিনী। কৃষকের চলতি বোরো মওসুমে ধানের ফলন ভালো হয়নি, ধানের ফলন কম, দামও কম, শ্রমিক সংকট তীব্র, শ্রমিক মিললেও উচ্চ মজুরি দিয়ে ধান কাটে কিন্তু ধান বিক্রি করতে পারে না। এক বছরের খাবার, ছেলেমেয়ের লেখাপড়া, জামা-কাপড় সবকিছুই এই ধানকে ঘিরে। এই সকল চিন্তা-ভাবনা করতে করতে কৃষকটি মারা যায়।

স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে, তাড়াশ উপজেলার বিনোদপুর ও খড়খড়িয়া গ্রামের স্থানীয় ভাষায় নির্মিত হয়েছে এই স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচিত্রটি। ইতিমধ্যে ট্রেইলরটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে দেশবাসীর কাছে। সম্পদনার পর প্রচারিত হবে কোন একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে। স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচিত্রটি রচনা করেছেন কামরুল ইসলাম মনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় করেছেন শোভন চন্দ্র। পরিবেশনায় স্বপ্নদল মিডিয়া।

এ বিষয় তরুণ নির্মাতা শোভন চন্দ্র বলেন, স্বপ্নদল মিডিয়ার সৃষ্টি হয়েছে দেশ মানুষের কথা নাটক-চলবিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা। তারই ধারবাহিকতায় দেশে যখন কৃষক তার শ্রমের মূল্য পাচ্ছে না, তখনই আমরা ‘প্রদীপ নিভে যায়’ নির্মানের সিদ্ধান্ত নেই। আমাদের এ প্রচেষ্টা তখনই স্বার্থক হবে যখন কৃষক তার ন্যায্য মূল্য পেয়ে হাসি ফুটাবে।

রচিয়তা কামরুল ইসলাম মনি বলেন, আমি নিজেও একজন কৃষক, আমি জানি কৃষকের কি কষ্ট। সেই জন্যই আমি এক রাতে লেখাটি লিখেছি।

স্বপ্নদল মিডিয়া কর্মীদের স্বপ্ন নাটক-চলচিত্রের মাধ্যমে চলনবিল কে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা। তারা সবসময় কাজ করতে চায় চলনবিলকে নিয়ে, চলনবিলের মাটিও মানুষকে নিয়ে, চলনবিলকে আবারও নতুন করে পরিচয় করে দিতে চায় বিশ্বের কাছে নতুন ভাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here