পার্বত্য জেলা গুলি শিক্ষা ক্ষেত্রে আর পিছিয়ে থাকবে না-দীপু মনি

170

মোহাম্মদ আব্দুর রহিম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজ গুলোও তার অন্তর্ভুক্ত। পার্বত্য অঞ্চলে যে চুক্তি হয়েছিল সেই চুক্তি দ্রুততার সঙ্গে বাস্ত বায়ন করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কোন মতেই পার্বত্য জেলা গুলি আর পিছিয়ে থাকবে না। উন্নত সমৃদ্ধ একটি জনপদে পরিণত হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এ বান্দরবানে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক ভ্রমনে আসবে। পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থা কে এগিয়ে নিয়ে যেতে বান্দরবান জেলায় আবাসিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হবে। এখানে পলিটেকনিকেল ইনস্টিটিউট হচ্ছে এখানে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এইসব কথা বলেন।

বুধবার (২২ মে) বেলা ১২ টায় বান্দরবান অরুন সারকী টাউন হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষার জন্য আলো কার্যক্রমের সোলার চালিত মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈ হ্লা মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. দীপু মনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার যে প্রতিশ্রুতি দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ সুখী শান্তিময় করার জন্য যেখানে যতটুকু প্রয়োজন কাজ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা অঙ্গিকার বদ্ধ। তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষক নিয়োগের যে মামলার জটিলতা ছিল সমাধান করতে পেরেছি। অচিরেই পার্বত্য অঞ্চলকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। আরও উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলার ৭টি উপজেলার নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত ছিলেন।