চৌদ্দগ্রামে চলন্ত বাসে নার্স ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

130
নূরুল আলম আবির: কিশোরগঞ্জে চলন্ত বাসে রাজধানীর ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত নার্স শাহীনূর আক্তার তানিয়াকে গণধর্ষণ ও ধর্ষণের পর চলন্ত বাস থেকে ফেলে দিয়ে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে মূখর হলো সারা বাংলাদেশ। নৃশংস এ চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে চৌদ্দগ্রামে কর্মরত নার্সসহ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার সকালে (২০ মে) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে উপজেলা নার্সিং ও মিডওয়াইফ কর্মকর্তাবৃন্দ কর্তৃক আয়োজিত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপন দেবনাথ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার মো. নাছির উদ্দীন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. গোলাম কিবরিয়া টিপু, মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল লতিফ, ডা. নাহিদা সুলতানা, ডা. শামসুল ইসলাম রানা, সিনিয়র স্টাফ নার্স হাজেরা বেগম, হাসিনা বেগম, মো. জাকির হোসেন, খালেদা রওশন, মোসা. সাজেদা আক্তারসহ উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত নার্সরা। এ সময় পৌরসভাধীন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত সোমবার (৬ মে) ঢাকা থেকে স্বর্ণলতা পরিবহনের একটি বাসে করে বাড়ি যাওয়ার পথে বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর গজারিয়া বিলপাড় এলাকায় পৌঁছলে বাসের চালক ও সহকারীরা ঢাকার কল্যাণপুর এলাকার ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র নার্স শাহিনূর আক্তার তানিয়াকে পালাক্রমে গণধর্ষণের পর চলন্ত বাস থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করে। নিহত তানিয়া কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুড়ি ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের গিয়াস উদ্দীনের মেয়ে। পরে এঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ওই দিন রাতেই ৪ জনের নাম উল্লেখ করে বাজিতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় বাসের চালক-হেলপারসহ ৫ আসামি বর্তমানে পুলিশ রিমান্ডে আছে। তাদের মধ্যে বাসের চালক নুরুজ্জামান ও হেলপার লালন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here