শালিখায় ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ৫ম মাসের আন্তঃসত্ত্বা

143

 মাগুরা প্রতিনিধি: শালিখা উপজেলার আদাডাঙ্গা গ্রামের মোঃ ইমারত হোসেনের মেয়ে তিশা খাতুন পাঁচ মাসের আন্তসত্ত্বা হয়েছেন।তিনি শালিখা উপজেলা আদাডাঙ্গা গ্রামের ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী ।যখন তাহার পরিবারের সদস্যরা ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থা অস্বাভাবিক দেখে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে জানতে পারে যে তাদের কন্যা সন্তান ৫(পাঁচ) মাসের আন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন। এ বিষয়ে তিশা খাতুন (১১) তাহার পরিবারের সদস্যদের কাছে স্বীকার করে যে হাজরাহাটী গ্রামের মৃতঃ আবজেল মোল্যার ছেলে মোঃ মান্নান হোসেন(৬০) তাকে শৌচাগারের ভেতরে একা পেয়ে বিভিন্ন সময়ে তাকে কয়েকবার ধর্ষন করে। ধর্ষনের পর ধর্ষিতাকে বলে যে,যদি কাউকে বলে দেয় তবে তাকে মেরে ফেলবে ,ধর্ষিতা ভয়ে কাউকে বলে নাই। কিন্তু তারপর তারা মান্নানের শরনাপন্ন হলে মান্নান তাদেরকে দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে অর্থ সম্পদের প্রলোভন দেখিয়ে সাত হাজার টাকা প্রদান করে উক্ত বাচ্চা নষ্ট করে দেওয়ার কথা বলে। দারিদ্রতা ও সামাজিক আত্মসম্মানের ভয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার তাদের কন্যার পেটের বাচ্চা নষ্ট করে ফেলে দেয়। উক্ত ঘটনার পর মান্নান হোসেন সাংবাদিকদের ধর্ষনের বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং এরকমের কোন ঘটনা ঘটেনি বলে উল্লেখ করেন। তাহার পর থেকে ধর্ষক গ্রামের থেকে উধাও হয়ে যায়। এ ব্যাপারে হাজরাহাটী ফাড়ি ইনচার্জ বলেন যে,ধর্ষিতার মা শালিখা থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করেছেন। এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি, মামলা হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য যে, মান্নান হোসেন একজন ধর্মব্যবসায়ী । তিনি মানুষকে ঝাড় ফুকের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দেয়ার নামে বিভিন্ন পরিবারের কন্যা ও স্ত্রী সন্তানের দিকে লোলূপ দৃষ্টিগোচর করেন। এছাড়াও তাহার নামে এলাকায় বিভিন্ন অবৈধ মেলামেশার কথা লোকমুখে শোনা যায়। তিনি এক দুশ্চরিত্রবান লোক । এলাকাবাসী তাহার সুষ্ঠু বিচার কামনা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here