২ শত পঞ্চাশ ফিট লম্বা বাঁশের সাঁকো ঝুঁকিতে পারাপারকারী ছাত্র-ছাত্রী ও গর্ভবতীরা

905

বিভাষ দাসঃ বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের মোড়েলগঞ্জ সদর ও খাউলিয়া ইউনিয়নে মধ্যবর্তী খাউলিয়া-বাদুরতলা নদীর উপর সখী ব্যাপারীর ঘাটে অবস্থিত ২৫০ ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকোটি পারাপারে সম্পুর্ণ অনুপযোগি। প্রতি ছয় মাসে একবার করে এটিকে মেরামত না করা হলে এপার ওপার করতে পারেনা অত্র এলাকার স্কুল কলেজ, হাটে বাজারে যাতায়াতকারী ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষ। সব থেকে ঝুকিতে পড়ে শিশু, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী মহিলারা।

উপজেলার ১৫নং মোড়েলগঞ্জ সদর ও ১৬ নং খাউলিয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী ২৫০ ফুট চওড়া খালে সখী ব্যপারীর ঘাটে অবস্থিত সাঁকোটির স্থলে দীর্ঘ দিনেও পুল নির্মান করা হয়নি। এলাকার ভুক্তভোগী জনগণ দীর্ঘকাল ধরে এখানে একটি পুলের বা ব্রীজের দাবি জানিয়ে আসছে। প্রতিদিন দুই তিন হাজার লোকের পারাপারের জন্য স্থানীয় জনগণ বাঁশের সাঁকো নির্মান করেছে। প্রতি ছয় মাস অন্তর সাঁকোটির মেরামতে জনগণকে অর্থ ব্যায় করতে হয়। অপরদিকে বর্ষাকলে সাঁকোর দুই পাড়ে জল কাঁদা বেড়ে গেলে সমস্যা আরো বেড়ে যায়। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী ছাত্র ছাত্রীসহ শিশু, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী মহিলারা বেশি সমস্যায় পড়ে। মাঝে মধ্যেই নৌকার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে হয় দুই পাড়ে যাতায়াত কারী শিশু-নারী-পুরুষের।উত্তর খাউলিয়া গ্রামের মুদি দোকানী খালেক ফরাজী বলেন,“ আমাদের এই সাঁকোটি এলাকার সব মানুষের জন্য অত্যন্ত জরুরী। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার হয়। শিশু, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী মহিলারা দারুন সমস্যায় পড়ে। বহুকাল ধরে আমরা একটা ভালো পুল বা ব্রীজের দাবী জানিয়ে আসলেও তা নির্মিত হয়নি। সরকারে কাছে আমাদের একান্ত দাবী, এখানে একটি মজবুত পুল বা ব্রীজ নির্মান করা হোক।”

খাউলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার আবুল খায়ের বলেন, “ ২৫০ ফিট চওড়া নদীর মোহনা এলাকার উক্ত স্থানে ১০/১২বছর পূর্বে একটা কাঠের পুল নির্মান করা হয়েছিল। কিন্তু জোয়ার জলের অত্যন্ত চাপে এবং বড় বড় ইট-বালু বহনকারী ট্রলারের ধাক্কায় সে পুলটি টেকেনি। কাঠের পুলে জোয়ারে জলের ধাক্কায় পুলটি ভীষনভাবে কাপতে থাকায় অনেকে সেটি পার হতেও ভয় পেত। আমি স্থানীয় এমপি মহোদয়ের সাথে আলোচনা করে মজবুত এবং স্থায়ীভাবে কিছু করার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”