কালকিনিতে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষন

142

মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের কালকিনিতে মালিহা-(১৭) নামের এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছেন থানা পুলিশ। তবে বিয়ে করতে অস্বিকার করায় ওই কিশোরী আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হয়েছে। কিশোরী মালিহাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ধর্ষন করে আসছেন মোঃ রাকিব-(২০) নামের এক বখাটে। এ ঘটনায় লম্পট রাকিবকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর রাকিব মালিহাকে ধর্ষন করেন বলে দায় শিকার করেছেন বলে পুলিশ জানায়।। আজ বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই কিশোরীর পরিবারের দাবী তাকে ধর্ষনের পরে হত্যা করা হয়েছে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাশগারী এলাকার কানুর গাঁও গ্রামের মানিক বেপারীর কিশোরী মেয়ে মালিহাসহ তার পরিবারের লোকজন নিয়ে পৌর এলাকার পাঙ্গাশীয়া গ্রামের নুর হোসেন বেপারীর বাসায় ভাড়া থাকেন। এর জের ধরে পৌর এলাকার পাঙ্গাশীয়া গ্রামের বেলায়েত সরদারের বখাটে ছেলে মোঃ রাকিব সরদারের সঙ্গে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে কিশোরী মালিহাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ধর্ষন করে আসছেন। বুধবার দিবাগত রাতে পুনরায় ওই কিশোরীকে বাসায় একা পেয়ে লম্পট রাকিব ধর্ষন করেন। এ ঘটনা দেখতে পেয়ে বাসার লোকজন ধর্ষক রাকিবকে হাতেনাতে আটক করেন। এ ঘটনার পরে ধর্ষিতার পরিবার মালিহাকে বিয়ে করার জন্য রাকিবকে চাঁপ প্রয়োগ করেন। কিন্তু ওই বখাটে রাকিব কিশোরী মালিহাকে বিয়ে করতে অস্বিকার করেন। পরে বখাটে রাকিবকে রাতেই তার বন্ধুরা মালিহার বাসা থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরে আজ সকালে বাড়ির মালিকে ছেলে মাহামুদুল হাসান রিজন মালিহার মড়াদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেথতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে থানা পুলিশ মালিহার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করেন। তবে ওই কিশোরীর পরিবারের দাবী তাকে ধর্ষনের পরে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় কালকিনি থানায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। এদিকে ধর্ষক রাকিবকে আটক করার পরে সে ধর্ষনের কথা স্বিকার করেছেন বলে পুলিশ যানায়।

নিহত মালিহার নানু ফাতেমা ও খালা নাসরিন অভিযোগ করে বলেন, আমাদের মালিহাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ধর্ষন করে আসছেন রাকিব। কিন্তু বিয়ে করতে চাপ দেয়ায় রাকিব মালিহাকে হত্যা করেছেন। আমরা তার ফাঁসি চাই।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে কিশোরী মালিহার মরাদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করি। এবং কিশোরীর প্রেমিক রাকিবকে আটক করেছি। রাকিব মালিহাকে ধর্ষন করেছে বলে শিকার করেছেন। তবে এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা ময়না তদন্তের পরে বলা যাবে।