রমজানে কুমিল্লায় ডাবল মার্ডার!

31

হালিম সৈকত: কুমিল্লা জেলার সদর উপজেলার বালুতুপা বাজারে রমযানে দ্বিতীয় দিনে ডাবল মার্ডারের ঘটনা ঘটেছে। ৮মে ২০১৯খ্রি. ইফতারের পর পরই এই ঘটনা ঘটে।

 

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আকাব্বরের বোন বানুর বাড়িতে ভাড়া থাকত কসাই আলম (৩৭) নামে এক ব্যক্তি। কসাই আলম নামেই সে অধিক পরিচিত। তার বাবার নাম হালিম মিয়া। কিছু দিন যাবৎ ভাড়া ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় আকাব্বরের বোন বানু আলমকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আলম গত কয়েক দিন যাবত ছুরি নিয়ে ঘুরতে থাকে আকাব্বরকে মেরে ফেলার জন্য। আজকে সুযোগ বুঝে সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিটে বালুতুপা চৌমুহনীতে আকাব্বরকে একা পেয়ে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে।

অন্যদিকে এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আনোয়ার নামে এক অটোচালক জানান, আলম আকাব্বরকে ছুরি দিয়ে জবাই করে তার উপর বসে ছিল আমি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। পরে জনতা আলমকে গণধোলাই দেয় এবং কুমেক হাসপাতালে আনার পর আলমও মারা যায়। বালুতুপা গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী আলী মেম্বার জানান, আমি একজনের জানাজা শেষ করে এসে দেখি আলম আকাব্বরকে কুপাচ্ছে সাথে সাথে আমি জগন্নাথপুর ইউপি চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মামুন ও কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আবদুস সালাম মিয়াকে ফোন করে জানাই।

আকাব্বরের দুই মেয়ে এবং কোন ছেলে সন্তান নেই। তার ছোট মেয়ে পারভীন আক্তার জানান, কোন ষড়যন্ত্র হতে পারে। আমার বাবা আর আলমের মধ্যে কোন ঝগড়া ছিল না। কিংবা অন্য কারো সাথে কোন শত্রুতা ছিল না। তা না হলে কেন আমার আব্বাকে মারার সাথে সাথেই আলমকে গণধোলাই দিয়ে মেরে ফেলা হলো। সে বেঁচে থাকলে হয়ত আসল ঘটনা বের হয়ে আসত। এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। দুটি লাশই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আবদুস সালাম মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে তিনি কোন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি। তদন্তের পরই বলা যাবে আসল রহস্য কি ?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here