নিজের ভুল স্বীকার করলেন জাককানইবি’র ড. সিদ্ধার্থ দে সিধু

344
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে কটুক্তি করে অবশেষে ক্ষমা চেয়ে উপাচার্য বরাবর লিখিত দিয়েছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সিদ্ধার্থ দে ।গত সোমবার ( ৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু নীল-দলের সভাপতি ড.সিদ্ধার্থ দে উপাচার্য বরাবর লিখিত দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন । ড. সিদ্ধার্থ দে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু নীল-দলের সভাপতি ।
 যদিও গত ১৮ এপ্রিল উপাচার্যকে কটুক্তি করার অভিযোগে বঙ্গবন্ধু নীল-দলের কার্ষনির্বাহী পরিষদের মোট ১৭ জন সদস্যের মধ্যে ১৩ জন স্বাক্ষর করে সভাপতি সিদ্ধার্থ দে’র প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন, বাকি চারজন সভায় অনুপস্থিত ছিলেন । কার্ষনির্বাহী পরিষদের সভায় সিদ্ধান্ত হয় ড.সিদ্ধার্থ দে’র সভাপতিত্বে নীল দলের কোন সভায় শিক্ষকেরা আর অংশ নেবে না ।
লিখিত ক্ষমার বিষয়টি জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড.এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সিদ্ধার্থ দে তার নিজের ভুল বুঝতে পেরে আমার কাছে লিখিত ক্ষমা চেয়েছেন । আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি । উপাচার্য বলেন, সিদ্ধার্থ দে ক্ষমা চেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এমন আর কোন কিছু হবে না বলেও তিনি(সিদ্ধার্থ) বলেছেন ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার মো: জালাল উদ্দিন বলেন, অবশেষে যে সিদ্ধার্থ তার নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন এর জন্য তাকে সাধুবাদ জানাই । তার কথাবার্তা আরও শালনীয় হওয়া উচিৎ বলেও ট্রেজারার বলেন ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, লিখিত ক্ষমার বিষয়টি শুনেছি । তিনি তার ভুল বুঝতে পেরেছেন এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। সিদ্ধার্থ দে’র কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,  এ বিষয়ে কোন কথা বলতে না চেয়ে তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এমনটি হয়েছে ।
উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ সুজন আলী । পরের দিন ১৮ এপ্রিল বিষয়টি জানতে পারেন সিদ্ধার্থ দে । এতে উপাচার্যের প্রতি ক্ষিপ্ত হন চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ড. সিদ্ধার্থ দে । ঐ দিন উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না । নিয়মানুযায়ি উপাচার্যের অনুপস্থিতে ট্রেজারার (ভারপ্রাপ্ত) উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন । চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ড.সিদ্ধার্থ দে ট্রেজারারকে ফোন দিয়ে উপাচার্যকে নিয়ে কটুক্তি করেন । একপর্যায়ে উপাচার্যের শহীদ(মুক্তিযুদ্ধে) বাবাকে নিয়েও কটুক্তি করেন ।