গঙ্গাচড়ায় পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত

211

সুজন আহম্মেদ: রংপুরের গঙ্গাচড়ায় পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে অপহরণকারী, ধর্ষণকারী, মাদক ব্যবসায়ী ও শীর্ষ সন্ত্রাসী একাধীক মামলার আসামী সুমন নিহত হয়েছে। এ সময় ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। নিহত সুমনের কাছ থেকে একটি দেশীয় সুটার গান, ২২ পিচ ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি উপজেলার লক্ষীটারী ইউনিয়নের পুর্ব ইচলী গ্রামে গত সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে ঘটেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার রুদ্রেশ্বর গ্রামের মহেশর আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম সুমন (৩৫) একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী।

সে বিভিন্নভাবে নারী অপহরণ করে ধর্ষণ করতো। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অপহরণ, ধর্ষণ, মাদক ও চাঁদাবাজির ৯টি মামলা রয়েছে। গত ৩ মে পীরগাছা থানায় সুমনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়। সে মামলায় পীরগাছা থানা পুলিশ গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশের সহযোগীতায় যৌথভাবে গত সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে সুমনকে গ্রেফতার করার জন্য অভিয়ান চালায়। এ সময় শেখ হাসিনা সেতুর উত্তর পার্শ্বে পুর্ব ইচলী গ্রাম দিয়ে মোটরসাইকেলে আরো দুজন সহযোগীকে সাথে নিয়ে সুমন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলো। পুলিশ সুমনকে দেখে তাকে গ্রেফতারের জন্য রাস্তায় বেরিকেট দিলে, সে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশ আত্বরক্ষার জন্য পাল্টা গুলি করে। এতে সুমন গুরুত্বর আহত হয় এবং অপর দু’সহযোগী মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়।

আহত অবস্থায় পুলিশ সুমনকে রংপুর মেডিকেল হাসপাতালাতে ভর্তি করালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেন। সুমন ও তার দু’সহযোগীর গুলিতে আহত হন পীরগাছা থানার এস আই আনোয়ার হোসেন, এ এস আই মামুন, গঙ্গাচড়া মডেল থানার এস আই জয়নুল, এ এস আই মামুন ও কন্সটেবল আমবার। আহত পুলিশ সদস্যদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি দেশী সুটার গান, ২২ পিচ ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুশান্ত সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সুমনের বিরুদ্ধে অপহরণ, ধর্ষণ, মাদক ও চাঁদাবাজির ৯টি মামলা বিভিন্ন থানায় আছে।