ধুনটে ফণীর প্রভাবে পাকা সড়ক ভেঙে মরণফাঁদ

120

ইমদাদুল হক ইমরান: ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ৪টি পাকা সড়ক ভেঙে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কের পিচ ও খোয়া উঠে গেছে, বেরিয়ে পড়েছে ইট। সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দের। ভেঙ্গে পড়েছে রাস্তার দুই পাশ। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। এলাকাবাসীকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধুনট উপজেলা সদর থেকে ১০টি ইউনিয়ন সদরের যোগাযোগসহ গ্রামীন জনপদে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার সড়ক পাকা নির্মান করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অর্থায়নে পাকা করা হয়েছে এ সব সড়ক। ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে অতি বৃষ্টিতে ৪টি সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বর্তমানে ৪টি সড়ক যানবাহন চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। তারপরও এসব সড়কগুলোতে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো হলো, চৌকিবাড়ি-সাগাটিয়া সড়ক, ধুনট-বড়িয়া সড়ক, আনারপুর-পারধুনট সড়ক ও ঢগঢগিয়া-দিঘলকান্দি পাকা সড়ক। এ সব সড়কে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষকে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে ট্রাক চালক আবু তাহের বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলোতে প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তার বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে ভেঙ্গে সড়ক সংকুচিত হওয়ায় চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গাড়ির চাকা গর্তে পড়ে। ইঞ্জিন বিকল হয়। তারপরও দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

উপজেলার চৌকিবাড়ী গ্রামের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, ঢগঢগিয়া-দিঘলকান্দি সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। যার কারনে ওই সড়কে কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। যাতায়াত অসুবিধার কারণে কৃষকেরা বাজারে ফসল বিক্রি করতে না পারায় ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। মুমূর্ষু কোনো রোগীকে উপজেলা কিংবা জেলা শহরে চিকিৎসার জন্য নিতে হলে যানবাহনের ঝাঁকুনিতে বেশ কষ্ট হয়। তিনি এ সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, ফণীর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের তালিকা তৈরী করে সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে বগুড়া নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে সড়ক গুলো মেরামত করা হবে।#