নেত্রকোনায় পি,পি, বিমলের পদ বাতিল

155

ইকবাল হাসান: নেত্রকোনায় হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর  পি,পি,  গোলাম মোহাম্মদ খান পাঠান (বিমল) পি,পি, পদ বাতিল করে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে গোলাম মোহাম্মদ খান  পাঠান (বিমল) লিভ টু আপিল খারিজ করে সোমবার আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি, মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট, খুরশিদ আলম খান ও মোহাম্মদ হোসাইন। গোলাম মোহাম্মদ খান পাঠান( বিমল)   পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও এ এম আমিন উদ্দিন।

এর আগে ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বরে, গোলাম মোহাম্মদ খান পাঠান (বিমল)  পি,পি, পদ ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে পাওয়া আইনজীবী সনদ বাতিল করেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্টের বিচারপতি, সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি, এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, শ্বশুরকে হত্যার দায়ে ১৯৮৬ সালে নেত্রকোনা দায়রা জজ আদালতে,গোলাম মোহাম্মদ খান পাঠান (বিমল) যাবজ্জীবন সাজা হয়। হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন। এরপর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করেন সাজাপ্রাপ্ত গোলাম মোহাম্মদ খান পাঠান (বিমল)।

আপিল নিষ্পত্তি হওয়ার আগে, রাষ্ট্রপতির মার্জনা পেয়ে ১৯৯৫ সালে তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর রাজনীতির পাশাপাশি আইন পেশায় যুক্ত হন গোলাম মোহাম্মদ খান পাঠান (বিমল) । ২০০৯ সালে ২ এপ্রিল তিনি পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পান।

পরে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন নেত্রকোনা সদরের বাসিন্দা মো. মোশারফ হেসেন। ওই আবেদনের শুনানি করে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট পি,পি,র কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দেন এবং পাশাপাশি রুল জারি করেন। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি করে আদালত গোলাম মোহাম্মদ খানের পি,পি, পদ ও আইনজীবী সনদ বাতিল করেন।